বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রতিরক্ষা ও জনপ্রশাসনসহ ৫ দপ্তর সামলাবেন প্রধানমন্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর ১৯ বছর ৩ মাস ১৯ দিনের বিরতির পর দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। নতুন সরকার পরিচালনার জন্য তিনি ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন, যেখানে প্রবীণ নেতাদের অভিজ্ঞতা এবং তরুণদের উদ্যমকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই ৫টি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় নিজের অধীনে রেখেছেন, যেগুলো হলো প্রতিরক্ষা, জনপ্রশাসন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং যুব ও ক্রীড়া। নবগঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক বুধবার বিকেল ৩টায় সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে এইভাবে: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে থাকছেন মীর শাহে আলম। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ভার নিয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জোটের শরিক নেতা জোনায়েদ সাকি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী হয়েছেন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে আছেন আ ন ম এহসানুল হক মিলন এবং প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিচালনা করবেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন জহির উদ্দিন স্বপন এবং প্রতিমন্ত্রী য়াসের খান চৌধুরী। বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব নিয়েছেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরীফুল আলম, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে পূর্ণমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, কৃষি ও মৎস্য মন্ত্রণালয় আমিন উর রশিদ, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন: পরিবেশ মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, সড়ক ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ধর্মমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, প্রবাসী কল্যাণে আরিফুল হক চৌধুরী, পানিসম্পদে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে আফরোজা খানম রিতা, গৃহায়ণ ও গণপূর্তে জাকারিয়া তাহের সুমন, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীপেন দেওয়ান, এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আসাদুল হাবিব দুলু। জনপ্রশাসন ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করবেন যথাক্রমে আব্দুল বারী এবং সাবেক তারকা ফুটবলার আমিনুল হক।

নতুন মন্ত্রিসভায় প্রবীণ ও নতুন মুখের সমন্বয় দেশের প্রশাসন ও নীতি নির্ধারণে শক্তিশালী দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক

প্রতিরক্ষা ও জনপ্রশাসনসহ ৫ দপ্তর সামলাবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত সময় : ০৪:৫৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর ১৯ বছর ৩ মাস ১৯ দিনের বিরতির পর দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। নতুন সরকার পরিচালনার জন্য তিনি ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন, যেখানে প্রবীণ নেতাদের অভিজ্ঞতা এবং তরুণদের উদ্যমকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই ৫টি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় নিজের অধীনে রেখেছেন, যেগুলো হলো প্রতিরক্ষা, জনপ্রশাসন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং যুব ও ক্রীড়া। নবগঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক বুধবার বিকেল ৩টায় সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে এইভাবে: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে থাকছেন মীর শাহে আলম। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ভার নিয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জোটের শরিক নেতা জোনায়েদ সাকি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী হয়েছেন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে আছেন আ ন ম এহসানুল হক মিলন এবং প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিচালনা করবেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন জহির উদ্দিন স্বপন এবং প্রতিমন্ত্রী য়াসের খান চৌধুরী। বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব নিয়েছেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরীফুল আলম, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে পূর্ণমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, কৃষি ও মৎস্য মন্ত্রণালয় আমিন উর রশিদ, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন: পরিবেশ মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, সড়ক ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ধর্মমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, প্রবাসী কল্যাণে আরিফুল হক চৌধুরী, পানিসম্পদে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে আফরোজা খানম রিতা, গৃহায়ণ ও গণপূর্তে জাকারিয়া তাহের সুমন, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীপেন দেওয়ান, এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আসাদুল হাবিব দুলু। জনপ্রশাসন ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করবেন যথাক্রমে আব্দুল বারী এবং সাবেক তারকা ফুটবলার আমিনুল হক।

নতুন মন্ত্রিসভায় প্রবীণ ও নতুন মুখের সমন্বয় দেশের প্রশাসন ও নীতি নির্ধারণে শক্তিশালী দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।