সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যে দুই জেলা থেকে শুরু হতে পারে ফ্যামিলি কার্ডের যাত্রা

নির্বাচনি ইশতেহারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও আলোচিত প্রতিশ্রুতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে এক ধাপ এগিয়ে গেল বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। সারা দেশের মানুষের জন্য এই কার্ড চালুর পরিকল্পনা থাকলেও এর শুরুটা হতে পারে উত্তরবঙ্গের দুই জেলা বগুড়া ও দিনাজপুর থেকে।

আসন্ন ঈদুল ফিতরের আনন্দকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতেই এই দুই জেলাকে পাইলট প্রকল্পের জন্য বেছে নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের এই পাইলট প্রকল্পের জন্য প্রাথমিকভাবে বগুড়া ও দিনাজপুর জেলার মোট ৮টি উপজেলাকে নির্বাচন করা হতে পারে। তবে সবার আগে সুফল ভোগ করতে পারে বগুড়ার গাবতলী এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দারা। এই দুই উপজেলার কর্মপদ্ধতি ও বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই পরবর্তীতে সারা দেশে কার্ডের পরিধি বাড়ানো হবে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, প্রকৃত দরিদ্র পরিবারগুলো যেন কোনোভাবেই বাদ না পড়ে, সে জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) আধুনিক খানা জরিপকে ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে। প্রতিটি কার্ডের বিপরীতে সুবিধাভোগীরা মাসে ২ হাজার টাকা করে সরাসরি নগদ অর্থ পাবেন।

মন্ত্রীর মতে, উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচনে এই প্রকল্প এক শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে কাজ করবে। সুবিধাভোগী নির্বাচনে বিশেষ করে বিধবা, বয়স্ক এবং নারী প্রধান পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

যে দুই জেলা থেকে শুরু হতে পারে ফ্যামিলি কার্ডের যাত্রা

প্রকাশিত সময় : ১০:২৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনি ইশতেহারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও আলোচিত প্রতিশ্রুতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে এক ধাপ এগিয়ে গেল বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। সারা দেশের মানুষের জন্য এই কার্ড চালুর পরিকল্পনা থাকলেও এর শুরুটা হতে পারে উত্তরবঙ্গের দুই জেলা বগুড়া ও দিনাজপুর থেকে।

আসন্ন ঈদুল ফিতরের আনন্দকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিতেই এই দুই জেলাকে পাইলট প্রকল্পের জন্য বেছে নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের এই পাইলট প্রকল্পের জন্য প্রাথমিকভাবে বগুড়া ও দিনাজপুর জেলার মোট ৮টি উপজেলাকে নির্বাচন করা হতে পারে। তবে সবার আগে সুফল ভোগ করতে পারে বগুড়ার গাবতলী এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দারা। এই দুই উপজেলার কর্মপদ্ধতি ও বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই পরবর্তীতে সারা দেশে কার্ডের পরিধি বাড়ানো হবে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, প্রকৃত দরিদ্র পরিবারগুলো যেন কোনোভাবেই বাদ না পড়ে, সে জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) আধুনিক খানা জরিপকে ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে। প্রতিটি কার্ডের বিপরীতে সুবিধাভোগীরা মাসে ২ হাজার টাকা করে সরাসরি নগদ অর্থ পাবেন।

মন্ত্রীর মতে, উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচনে এই প্রকল্প এক শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে কাজ করবে। সুবিধাভোগী নির্বাচনে বিশেষ করে বিধবা, বয়স্ক এবং নারী প্রধান পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।