রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে শফিকুল ইসলাম নামে এক যুবককে ৪৪ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় অপর যুবক ছানা মিয়াকে ১৪ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।] বুধবার বিকেলে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

৪৪ বছর সাজাপ্রাপ্ত শফিকুল ইসলাম ঝিনাইগাতী উপজেলার কালীনগর গ্রামের বাসিন্দা। ১৪ বছর সাজাপ্রাপ্ত ছানা মিয়া একই উপজেলার হাঁসলিগাঁও গ্রামের বাসিন্দা]

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি গোলাম কিবরিয়া জানান, স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে শফিকুল ইসলামকে একটি ধারায় যাবজ্জীবন (৩০ বছর) সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর একটি ধারায় ১৪ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। উভয় সাজা একসঙ্গে চলমান থাকবে। আরেক যুবক ছানা মিয়াকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২০ মে সন্ধ্যায় ঝিনাইগাতী উপজেলার একটি গ্রামের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী তার চাচার বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিল। আগে থেকে ওত পেতে থাকা শফিকুল ও ছানা মিয়া ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যান। এরপর তাকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন শফিকুল। এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ২৪ মে স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শফিকুল ও ছানা মিয়াকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা করেন

মামলার তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঝিনাইগাতী থানার তৎকালীন এসআই খোকন চন্দ্র সরকার ২০১৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর শফিকুল ও ছানা মিয়ার নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে বুধবার আদালত এই রায় দিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

স্কুলছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ

প্রকাশিত সময় : ০৪:১৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২১

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে শফিকুল ইসলাম নামে এক যুবককে ৪৪ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলায় অপর যুবক ছানা মিয়াকে ১৪ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।] বুধবার বিকেলে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

৪৪ বছর সাজাপ্রাপ্ত শফিকুল ইসলাম ঝিনাইগাতী উপজেলার কালীনগর গ্রামের বাসিন্দা। ১৪ বছর সাজাপ্রাপ্ত ছানা মিয়া একই উপজেলার হাঁসলিগাঁও গ্রামের বাসিন্দা]

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি গোলাম কিবরিয়া জানান, স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে শফিকুল ইসলামকে একটি ধারায় যাবজ্জীবন (৩০ বছর) সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর একটি ধারায় ১৪ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। উভয় সাজা একসঙ্গে চলমান থাকবে। আরেক যুবক ছানা মিয়াকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২০ মে সন্ধ্যায় ঝিনাইগাতী উপজেলার একটি গ্রামের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী তার চাচার বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিল। আগে থেকে ওত পেতে থাকা শফিকুল ও ছানা মিয়া ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যান। এরপর তাকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন শফিকুল। এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ২৪ মে স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শফিকুল ও ছানা মিয়াকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা করেন

মামলার তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঝিনাইগাতী থানার তৎকালীন এসআই খোকন চন্দ্র সরকার ২০১৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর শফিকুল ও ছানা মিয়ার নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে বুধবার আদালত এই রায় দিলেন।