শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আ’লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনীত হওয়ায় রাসিক মেয়র লিটনকে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ফুলেল শুভেচ্ছা

আ'লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনীত হওয়ায় রাসিক মেয়র লিটনকে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ফুলেল শুভেচ্ছা

জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামানের সুযোগ্যপুত্র রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র জননেতা জনাব এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনীত হওয়ায় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

 

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় নগর ভবনে সিটি মেয়রকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায় ক্লাবের নেতৃবৃন্দ। এ সময় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন সিটি মেয়র। এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সিটি মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহত্তম দল। দলটি শাখা প্রশাখা বিস্তার করে সারাদেশে আনাছে কানাছে ছড়িয়ে পড়েছে। স্বাধীন একটি দেশ উপহার দিতে জাতির পিতা দলটি তিলে তিলে গড়ে তুলেছিলেন, তাঁরই কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে আজকে আরো শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

হয়তো উত্তরাঞ্চলের নেতৃত্বের শূণ্যতা পূরণ করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনীত করেছেন। আমি দলীয় সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি আরো বলেন, আমার পিতা শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শীর্ষ দুটি পদে ছিলেন। স্বাধীনতার পূর্বে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। স্বাধীনতার পরে ১৯৭৪ সালে তাঁকে আওয়ামী লীগের সভাপতি করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আমার পিতা শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান অনেক উপরে যেতে পেরেছিলেন। তিনি তাঁর মেধা, যোগ্যতা, প্রজ্ঞা, দেশপ্রেম ও ভালোবাসা দিয়ে পুরো উত্তরাঞ্চলসহ দেশের মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছিলেন। মেয়র আরো বলেন, রাজশাহী মহানগরীর ব্যাপক উন্নয়ন কাজ চলমান আছে। প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার সমন্বিত নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে এক হাজার কোটি টাকার কাজের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। আরো অনেক কাজ বাকি আছে, সেগুলো করতে হবে। নগরীতের প্রশস্ত সড়ক, ওয়ার্ডের অলি-গলি-পাড়ায়-মহল্লায় রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ কাজ চলছে।

উন্নয়ন কাজ শেষ হলে রাজশাহী হবে দেখার মতো একটি শহর। এ সময় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু কাওসার মাখন, সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম, সিনিয়র সহঃ সভাপতি শামসুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল আমিন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত হোসেন, দপ্তর সম্পাদক সাগর নোমানী, সদস্য সুমন হোসেন, জুবায়ের আলম রাজন, হারুনুর রশিদ, আকীব, হৃদয় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আ’লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনীত হওয়ায় রাসিক মেয়র লিটনকে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ফুলেল শুভেচ্ছা

প্রকাশিত সময় : ০৬:৩২:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২১

জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামানের সুযোগ্যপুত্র রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র জননেতা জনাব এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনীত হওয়ায় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

 

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টায় নগর ভবনে সিটি মেয়রকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায় ক্লাবের নেতৃবৃন্দ। এ সময় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সাথে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন সিটি মেয়র। এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সিটি মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহত্তম দল। দলটি শাখা প্রশাখা বিস্তার করে সারাদেশে আনাছে কানাছে ছড়িয়ে পড়েছে। স্বাধীন একটি দেশ উপহার দিতে জাতির পিতা দলটি তিলে তিলে গড়ে তুলেছিলেন, তাঁরই কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতে আজকে আরো শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

হয়তো উত্তরাঞ্চলের নেতৃত্বের শূণ্যতা পূরণ করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনীত করেছেন। আমি দলীয় সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি আরো বলেন, আমার পিতা শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শীর্ষ দুটি পদে ছিলেন। স্বাধীনতার পূর্বে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। স্বাধীনতার পরে ১৯৭৪ সালে তাঁকে আওয়ামী লীগের সভাপতি করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

আমার পিতা শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান অনেক উপরে যেতে পেরেছিলেন। তিনি তাঁর মেধা, যোগ্যতা, প্রজ্ঞা, দেশপ্রেম ও ভালোবাসা দিয়ে পুরো উত্তরাঞ্চলসহ দেশের মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছিলেন। মেয়র আরো বলেন, রাজশাহী মহানগরীর ব্যাপক উন্নয়ন কাজ চলমান আছে। প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার সমন্বিত নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে এক হাজার কোটি টাকার কাজের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। আরো অনেক কাজ বাকি আছে, সেগুলো করতে হবে। নগরীতের প্রশস্ত সড়ক, ওয়ার্ডের অলি-গলি-পাড়ায়-মহল্লায় রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণ কাজ চলছে।

উন্নয়ন কাজ শেষ হলে রাজশাহী হবে দেখার মতো একটি শহর। এ সময় রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু কাওসার মাখন, সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম, সিনিয়র সহঃ সভাপতি শামসুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল আমিন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত হোসেন, দপ্তর সম্পাদক সাগর নোমানী, সদস্য সুমন হোসেন, জুবায়ের আলম রাজন, হারুনুর রশিদ, আকীব, হৃদয় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।