শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইসিসি’র বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশে মোস্তাফিজ

কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে গত বছরটা অসাধারণ কাটে মোস্তাফিজুর রহমানের। ‘কাটার মাস্টার’খ্যাত বাঁহাতি এই পেসার কাজের স্বীকৃতি পেলেন। দারুণ পারফরম্যান্সের সুবাদে মোস্তাফিজ জায়গা করে নিয়েছেন আইসিসি’র বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশে। বুধবার ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি’র অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয় বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশ। যেখানে বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার মোস্তাফিজ। তালিকায় পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ তিনজন, অস্ট্রেলিয়ার দু’জন এবং ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার রয়েছেন একজন করে।
গত বছর টি-টোয়েন্টিতে ২০.৮৩ গড়ে মোস্তাফিজ নেন ৫৯ উইকেট। ইংল্যান্ডের উইকেটরক্ষক ব্যাটার বাটলার ১৪ ম্যাচে ৬৫.৪৪ গড়ে ৫৮৯ রান করেন। বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হাঁকান সেঞ্চুরি। টুর্নামেন্টে তার সংগ্রহ ২৬৯ রান। পাকিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান গত বছর টি-টোয়েন্টির সেরা ব্যাটসম্যান ছিলেন। ২৯ ম্যাচে রেকর্ড ১৩২৬ রান করেন তিনি। গড় ৭৩.৬৬। স্ট্রাইকরেট ১৩৪.৪৯। বিশ্বকাপে তৃতীয় সর্বাধিক রান সংগ্রাহক ছিলেন রিজওয়ান।
গত বছর কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে ২৯ ম্যাচে ৩৭.৫৬ গড়ে ৯৩৯ রান করেন বাবর আজম। তার অধীনে ভারতকে প্রথমবার বিশ্বকাপে হারের স্বাদ দেয় পাকিস্তান। প্রোটিয়া ওপেনার মার্করামও দারুণ ফর্মে ছিলেন। ১৮ ম্যাচে ৪৩.৮৪ গড় ও ১৪৮.৮২ স্ট্রাইকরেটে তার সংগ্রহ ৫৭০ রান। বল হাতে নিয়েছেন ৫ উইকেট। মিচেল মার্শ অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের আক্ষেপ ঘুচাতে রাখেন অনবদ্য ভূমিকা। গত বছর ২১ ম্যাচে ৩৬.৮৮ গড়ে করেছেন ৬২৭ রান। বল হাতে নিয়েছেন ৮ উইকেট।
আইসিসি’র বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশে মোস্তাফিজ
আইসিসি’র বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশে মোস্তাফিজ

ডেভিড মিলার ১৭ ম্যাচে ৪৭.১২ গড় এবং ১৪৯.৬০ গড়ে সংগ্রহ করেন ৩৭৭ রান। শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার ওয়ানিন্ডু হাসারাঙ্গা বল হাতে ছিলেন সবচেয়ে সফল। ২০ ম্যাচে ১১.৬৩ গড়ে তার শিকার ৩৬ উইকেট। পাশাপাশি ব্যাট হাতে করেছেন ১৯৬ রান। বিশ্বকাপে সর্বাধিক ১৬ উইকেট নেন তিনি। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার চায়নাম্যান স্পিনার তাবরেইজ শামসি ২২ ম্যাচে ১৩.৩৬ গড়ে নেন ৩৬ উইকেট। ইকোনমি রেট ৫.৭২।

অজি পেসার জশ হ্যাজলউড ১৫ ম্যাচে ১৬.৩৪ গড় এবং ৬.৮৭ ইকোনমিতে নিয়েছেন ২৩ উইকেট। অজিদের বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার। পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি ২১ ম্যাচে নিয়েছেন ২৩ উইকেট। বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন তিনি। তার দুর্দান্ত স্পেলেই ভেঙে পড়ে ভারতের টপ অর্ডার।

বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশ:

জস বাটলার (ইংল্যান্ড), মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক-পাকিস্তান), বাবর আজম (অধিনায়ক-পাকিস্তান), এইডেন মার্করাম (দক্ষিণ আফ্রিকা), মিচেল মার্শ (অস্ট্রেলিয়া), ডেভিড মিলার (দক্ষিণ আফ্রিকা), তাবরেইজ শামসি (দক্ষিণ আফ্রিকা), জশ হ্যাজলউড (অস্ট্রেলিয়া), ওয়ানিন্ডু হাসারাঙ্গা (শ্রীলঙ্কা), মোস্তাফিজুর রহমান (বাংলাদেশ), শাহীন শাহ আফ্রিদি (পাকিস্তান)।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আইসিসি’র বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশে মোস্তাফিজ

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২
কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে গত বছরটা অসাধারণ কাটে মোস্তাফিজুর রহমানের। ‘কাটার মাস্টার’খ্যাত বাঁহাতি এই পেসার কাজের স্বীকৃতি পেলেন। দারুণ পারফরম্যান্সের সুবাদে মোস্তাফিজ জায়গা করে নিয়েছেন আইসিসি’র বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশে। বুধবার ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি’র অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয় বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশ। যেখানে বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার মোস্তাফিজ। তালিকায় পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ তিনজন, অস্ট্রেলিয়ার দু’জন এবং ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার রয়েছেন একজন করে।
গত বছর টি-টোয়েন্টিতে ২০.৮৩ গড়ে মোস্তাফিজ নেন ৫৯ উইকেট। ইংল্যান্ডের উইকেটরক্ষক ব্যাটার বাটলার ১৪ ম্যাচে ৬৫.৪৪ গড়ে ৫৮৯ রান করেন। বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হাঁকান সেঞ্চুরি। টুর্নামেন্টে তার সংগ্রহ ২৬৯ রান। পাকিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান গত বছর টি-টোয়েন্টির সেরা ব্যাটসম্যান ছিলেন। ২৯ ম্যাচে রেকর্ড ১৩২৬ রান করেন তিনি। গড় ৭৩.৬৬। স্ট্রাইকরেট ১৩৪.৪৯। বিশ্বকাপে তৃতীয় সর্বাধিক রান সংগ্রাহক ছিলেন রিজওয়ান।
গত বছর কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে ২৯ ম্যাচে ৩৭.৫৬ গড়ে ৯৩৯ রান করেন বাবর আজম। তার অধীনে ভারতকে প্রথমবার বিশ্বকাপে হারের স্বাদ দেয় পাকিস্তান। প্রোটিয়া ওপেনার মার্করামও দারুণ ফর্মে ছিলেন। ১৮ ম্যাচে ৪৩.৮৪ গড় ও ১৪৮.৮২ স্ট্রাইকরেটে তার সংগ্রহ ৫৭০ রান। বল হাতে নিয়েছেন ৫ উইকেট। মিচেল মার্শ অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের আক্ষেপ ঘুচাতে রাখেন অনবদ্য ভূমিকা। গত বছর ২১ ম্যাচে ৩৬.৮৮ গড়ে করেছেন ৬২৭ রান। বল হাতে নিয়েছেন ৮ উইকেট।
আইসিসি’র বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশে মোস্তাফিজ
আইসিসি’র বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশে মোস্তাফিজ

ডেভিড মিলার ১৭ ম্যাচে ৪৭.১২ গড় এবং ১৪৯.৬০ গড়ে সংগ্রহ করেন ৩৭৭ রান। শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার ওয়ানিন্ডু হাসারাঙ্গা বল হাতে ছিলেন সবচেয়ে সফল। ২০ ম্যাচে ১১.৬৩ গড়ে তার শিকার ৩৬ উইকেট। পাশাপাশি ব্যাট হাতে করেছেন ১৯৬ রান। বিশ্বকাপে সর্বাধিক ১৬ উইকেট নেন তিনি। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার চায়নাম্যান স্পিনার তাবরেইজ শামসি ২২ ম্যাচে ১৩.৩৬ গড়ে নেন ৩৬ উইকেট। ইকোনমি রেট ৫.৭২।

অজি পেসার জশ হ্যাজলউড ১৫ ম্যাচে ১৬.৩৪ গড় এবং ৬.৮৭ ইকোনমিতে নিয়েছেন ২৩ উইকেট। অজিদের বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার। পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি ২১ ম্যাচে নিয়েছেন ২৩ উইকেট। বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন তিনি। তার দুর্দান্ত স্পেলেই ভেঙে পড়ে ভারতের টপ অর্ডার।

বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশ:

জস বাটলার (ইংল্যান্ড), মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক-পাকিস্তান), বাবর আজম (অধিনায়ক-পাকিস্তান), এইডেন মার্করাম (দক্ষিণ আফ্রিকা), মিচেল মার্শ (অস্ট্রেলিয়া), ডেভিড মিলার (দক্ষিণ আফ্রিকা), তাবরেইজ শামসি (দক্ষিণ আফ্রিকা), জশ হ্যাজলউড (অস্ট্রেলিয়া), ওয়ানিন্ডু হাসারাঙ্গা (শ্রীলঙ্কা), মোস্তাফিজুর রহমান (বাংলাদেশ), শাহীন শাহ আফ্রিদি (পাকিস্তান)।