রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে পরীক্ষার দাবিতে সড়কে প্রতীকী পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধ হওয়া পরীক্ষা দিতে চান সাধারণ শিক্ষার্থীরা।পরীক্ষার দাবিতে সড়কে প্রতীকী পরীক্ষায় অংশ নেন রাজশাহীর সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রোববার সকাল সাড়ে ১১টার সময় নগরীর সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে খাতা কলম নিয়ে বসে ১২ জন পরীক্ষার্থী প্রতীকী পরীক্ষা দেন।

এছাড়া পাশেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন করতে দেখা গেছে।মানববন্ধন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে রাখার দাবি জানানো হয়।

একই সাথে শিক্ষার্থীরা জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় মাত্র ২ থেকে ৩টি পরীক্ষা বাকি আছে।এই পরীক্ষাগুলো আটকে যাওয়ার কারণে তাদের জীবনের চাকা আটকে গেছে।সেই পরীক্ষাগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধন ও প্রতীকী পরীক্ষা শেষে বক্তব্য দেন-বাংলা বিভাগের পরীক্ষার্থী শফিকুল ইসলাম,আব্দুর রহিম, বুলবুল আহম্মেদ,হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের রেবেকা বালা, একই বিভাগের মো. জাকারিয়া,আব্দুল হাদি প্রমুখ।

এসময় পরীক্ষার্থীরা আরো জানায়-দেশে সব কিছুই যদি চলতে পারে তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে না ক্যানো।বার বার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ফলে ভবিষৎ নিয়ে সংকিত আমরা।

পরীক্ষার্থী আব্দুর রহিম জানান,আমাদের করো করো ২ দুইটি,আবার কারো তিনটি পরীক্ষা বাকি আছে।স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষাগুলো দিতে চায়।এই পরীক্ষাগুলো কারণে আমাদের ভবিষৎ চাকরি-বিয়ে সাদী আটকে আছে। একটি মাত্র সার্টিফিকেটের কারণে আমরা বছরের পর বছর আটকে আছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাজশাহীতে পরীক্ষার দাবিতে সড়কে প্রতীকী পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত সময় : ০৩:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধ হওয়া পরীক্ষা দিতে চান সাধারণ শিক্ষার্থীরা।পরীক্ষার দাবিতে সড়কে প্রতীকী পরীক্ষায় অংশ নেন রাজশাহীর সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রোববার সকাল সাড়ে ১১টার সময় নগরীর সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে খাতা কলম নিয়ে বসে ১২ জন পরীক্ষার্থী প্রতীকী পরীক্ষা দেন।

এছাড়া পাশেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন করতে দেখা গেছে।মানববন্ধন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে রাখার দাবি জানানো হয়।

একই সাথে শিক্ষার্থীরা জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় মাত্র ২ থেকে ৩টি পরীক্ষা বাকি আছে।এই পরীক্ষাগুলো আটকে যাওয়ার কারণে তাদের জীবনের চাকা আটকে গেছে।সেই পরীক্ষাগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধন ও প্রতীকী পরীক্ষা শেষে বক্তব্য দেন-বাংলা বিভাগের পরীক্ষার্থী শফিকুল ইসলাম,আব্দুর রহিম, বুলবুল আহম্মেদ,হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের রেবেকা বালা, একই বিভাগের মো. জাকারিয়া,আব্দুল হাদি প্রমুখ।

এসময় পরীক্ষার্থীরা আরো জানায়-দেশে সব কিছুই যদি চলতে পারে তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে না ক্যানো।বার বার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ফলে ভবিষৎ নিয়ে সংকিত আমরা।

পরীক্ষার্থী আব্দুর রহিম জানান,আমাদের করো করো ২ দুইটি,আবার কারো তিনটি পরীক্ষা বাকি আছে।স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষাগুলো দিতে চায়।এই পরীক্ষাগুলো কারণে আমাদের ভবিষৎ চাকরি-বিয়ে সাদী আটকে আছে। একটি মাত্র সার্টিফিকেটের কারণে আমরা বছরের পর বছর আটকে আছি।