বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘আমি নিজেকে শেষ করে দিচ্ছি’ বলে হোটেল থেকে মডেলের ঝাঁপ!

‘আমি নিজেকে শেষ করে দিচ্ছি’ ফোনে বাবাকে এমন কথা বলে ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন উঠতি মডেল গুনগুন উপাধ্যায়। শনিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে যোধপুরের একটি হোটেলের ছয় তলার বারান্দা থেকে ঝাঁপ  দেন। ছাদ থেকে ঝাঁপ দেয়ার আগে আগে বাবাকে ফোন করে গুনগুন বলেন, ‘আমি নিজেকে শেষ করে দিচ্ছি। আমি চলে গেলে আমার মুখের দিকে তাকিও’।

পরে পুলিশ গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে কেন সে কেন আত্মহত্যার চেষ্টা করল, তা জানা যায়নি।   পুলিশ জানায়, মডেল গুনগুন উপাধ্যায় শনিবার রাতে উদয়পুর থেকে যোধপুরের একটি হোটেলে যান। ওই হোটেলের ছয় তলার বারান্দা থেকে তিনি ঝাঁপ দেন। ঝাঁপ দেওয়ার আগে তিনি বাবাকে ফোনও করেন।

এরপর গুনগুনের বাবা গণেশ উপাধ্যায় পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ওই হোটেলে পৌঁছায়। কিন্তু তত ক্ষণে গুনগুন ঝাঁপ দিয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, গুনগুনের বুকে চোট রয়েছে। পায়ের হাড় ভেঙেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ার ফলে তাকে টানা রক্ত দিতে হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক

‘আমি নিজেকে শেষ করে দিচ্ছি’ বলে হোটেল থেকে মডেলের ঝাঁপ!

প্রকাশিত সময় : ০৯:৫৩:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২২

‘আমি নিজেকে শেষ করে দিচ্ছি’ ফোনে বাবাকে এমন কথা বলে ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন উঠতি মডেল গুনগুন উপাধ্যায়। শনিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে যোধপুরের একটি হোটেলের ছয় তলার বারান্দা থেকে ঝাঁপ  দেন। ছাদ থেকে ঝাঁপ দেয়ার আগে আগে বাবাকে ফোন করে গুনগুন বলেন, ‘আমি নিজেকে শেষ করে দিচ্ছি। আমি চলে গেলে আমার মুখের দিকে তাকিও’।

পরে পুলিশ গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে কেন সে কেন আত্মহত্যার চেষ্টা করল, তা জানা যায়নি।   পুলিশ জানায়, মডেল গুনগুন উপাধ্যায় শনিবার রাতে উদয়পুর থেকে যোধপুরের একটি হোটেলে যান। ওই হোটেলের ছয় তলার বারান্দা থেকে তিনি ঝাঁপ দেন। ঝাঁপ দেওয়ার আগে তিনি বাবাকে ফোনও করেন।

এরপর গুনগুনের বাবা গণেশ উপাধ্যায় পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ওই হোটেলে পৌঁছায়। কিন্তু তত ক্ষণে গুনগুন ঝাঁপ দিয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পুলিশ দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, গুনগুনের বুকে চোট রয়েছে। পায়ের হাড় ভেঙেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ার ফলে তাকে টানা রক্ত দিতে হচ্ছে।