শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টিকার প্রথম ডোজ নিতে লাগবে না কিছুই

খন থেকে কোভিড টিকার প্রথম ডোজ নিতে রেজিস্ট্রেশন বা জন্ম নিবন্ধনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর (এমএনসিএএইচ অ্যান্ড পিএইচসি) ডা. শামসুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, “রাজধানীসহ সারাদেশে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি এক কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হবে। এ টিকা নিতে রেজিস্ট্রেশন বা জন্ম নিবন্ধন লাগবে না।” তিনি বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন।

শামসুল ইসলাম বলেন, “২৬ ফেব্রুয়ারি শেষদিন প্রথম ডোজের টিকাদানের জন্য বড় ধরনের ক্যাম্পেইন হবে। একদিনে এক কোটি মানুষকে সফলভাবে টিকাদানের জন্য অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ করা হচ্ছে। ১২ বছরের বেশি বয়সী মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ অর্থাৎ ১২ কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যেই টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হচ্ছে। ১২ বছরের বেশী বয়সি দেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “২৬ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন পর্যায়ে তিনটি করে কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। প্রতিটি উপজেলার হাসপাতালে নির্ধারিত যে টিকা কেন্দ্র রয়েছে, তার বাইরে অতিরিক্ত পাঁচটি করে মোবাইল টিম থাকবে। জেলা পর্যায়ে নির্ধারিত টিকাকেন্দ্র ছাড়াও ২০টি করে অতিরিক্ত মোবাইল টিম থাকবে। এছাড়া ওয়ার্ড পর্যায়ে তিনটি করে টিম কাজ করবে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

টিকার প্রথম ডোজ নিতে লাগবে না কিছুই

প্রকাশিত সময় : ০৪:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২

খন থেকে কোভিড টিকার প্রথম ডোজ নিতে রেজিস্ট্রেশন বা জন্ম নিবন্ধনের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর (এমএনসিএএইচ অ্যান্ড পিএইচসি) ডা. শামসুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, “রাজধানীসহ সারাদেশে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি এক কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হবে। এ টিকা নিতে রেজিস্ট্রেশন বা জন্ম নিবন্ধন লাগবে না।” তিনি বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন।

শামসুল ইসলাম বলেন, “২৬ ফেব্রুয়ারি শেষদিন প্রথম ডোজের টিকাদানের জন্য বড় ধরনের ক্যাম্পেইন হবে। একদিনে এক কোটি মানুষকে সফলভাবে টিকাদানের জন্য অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ করা হচ্ছে। ১২ বছরের বেশি বয়সী মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ অর্থাৎ ১২ কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যেই টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হচ্ছে। ১২ বছরের বেশী বয়সি দেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “২৬ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন পর্যায়ে তিনটি করে কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। প্রতিটি উপজেলার হাসপাতালে নির্ধারিত যে টিকা কেন্দ্র রয়েছে, তার বাইরে অতিরিক্ত পাঁচটি করে মোবাইল টিম থাকবে। জেলা পর্যায়ে নির্ধারিত টিকাকেন্দ্র ছাড়াও ২০টি করে অতিরিক্ত মোবাইল টিম থাকবে। এছাড়া ওয়ার্ড পর্যায়ে তিনটি করে টিম কাজ করবে।”