মাঠে তখন অপেক্ষা ছিল দুই দলের অধিনায়কের জন্য। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের অধিনায়ক ইমরুল কায়েস মাঠে উপস্থিত। তবে আসেননি ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, একটি বিজ্ঞাপনের শুটিং করতে যাওয়ায় বিপিএলের ফাইনালের আগে অফিসিয়াল ফটোসেশনে আসেননি তিনি। এ নিয়ে বিতর্কেরও শেষ নেই। সাকিবের এমন কাণ্ডের কারণে বরিশালকে শোকজ করেছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল।
এবারের বিপিএলে অবশ্য পূর্ণ বায়ো-বাবল রাখেনি বিসিবি। নতুন মডেল ম্যানেজড ইভেন্ট এনভায়রনমেন্ট (এমইই) মেনে চলেছে আসরটি। যা অনেকটা বায়ো-বাবল বা জৈব সুরক্ষা বলয়ের মতোই। তবে ততো কড়াকড়ি নেই। জরুরি প্রয়োজনে বাবলে থাকা কেউ টিম হোটেল ছাড়তে পারবেন। কিন্তু সাকিব গিয়েছিলেন বিজ্ঞাপন চিত্রের শুটিং করতে। তা কী আদৌ জরুরি প্রয়োজনের মধ্যে পড়ে !
সাকিবের এমন কাণ্ডে শুক্রবার বিপিএলের ফাইনাল শেষে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, যতগুলো সিরিজ কিংবা টুর্নামেন্ট হয়েছে, আমরা কিন্তু এটা ছাড় দেইনি।
ফ্র্যাঞ্চাইজির দায়টাই বেশি দেখছেন বিসিবি সভাপতি, ‘ইতোমধ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজিকে শোকজ করা হয়েছে। বায়ো-বাবল ভেঙে বাইরে গেল কীভাবে? কারণ, আমরা ফ্র্যাঞ্চাইজিদেরকে নির্দেশনা দিয়েছিলাম কীভাবে বায়ো-বাবল মেইনটেইন করতে হবে। এটা ব্রেক হয়েছে, সেটার জন্য তাদের শোকজ করা হয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিদের দায়িত্বটা এখানে বেশি ছিল।’
ফাইনালের আগে সাকিবের বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে যাওয়া কীভাবে সম্ভব হলো জানতে চাইলে নাজমুল আরও বলেছেন, ‘টুর্নামেন্টের মাঝে তো কিছু করা সম্ভব না। টুর্নামেন্ট শেষ হয়েছে, এখন যা করার করবে। কেউ আইন ভাঙবে, এটার প্রশ্নই ওঠে না।’
সব মিলিয়ে শেষটা সুখকর হলো না বরিশালের জন্য। কুমিল্লার কাছে ফাইনালে একেবারে তীরে এসে তরী ডুবেছে দলটির। মাত্র ১ রানের হার। আর সে ধাক্কা সামলাতে না সামলাতে এবার নিজেদের ভুলের কারণ দর্শাতে হবে দলটিকে। হয়তো অপেক্ষা করছে কঠিন কোনো শাস্তিও।

দৈনিক দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
























