ওয়ানডেতে পিছিয়ে থাকা আফগানদের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়। শুনতে খুব বড় প্রাপ্তি বা কঠিন কিছু মনে না হলেও চট্টগ্রামে রীতিমতো অসাধ্য সাধন করেই সেই জয় ছিনিয়ে আনতে হয়েছে টাইগারদের। আর সেই জয়ের পেছনের সবচেয়ে বড় অবদান ছিল দুই তরুণ তুর্কি মেহেদি মিরাজ ও আফিফ হোসেনের। খাদের কিনারায় পড়ে যাওয়া দলকে তুলে টেনে শুধু লজ্জা থেকেই বাঁচাননি তারা, এনে দিয়েছেন জয়ের স্বাদ।
সাগরিকায় টসে জিতে আগে ব্যাটিং করে বাংলাদেশকে ২১৬ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয় আফগানিস্তান। সেই লক্ষ্য টপকাতে গিয়েই ৫০ রানের আগেই সাজঘরে ফিরে যায় টাইগার ব্যাটিং লাইনআপের প্রথম ৬ ব্যাটসম্যান। তখনও জয়ের জন্য বিরাট পথ পাড়ি দিতে হবে ক্রিজে থাকা মেহেদি মিরাজ ও আফিফ হোসেনকে। মোকাবেলা করতে হবে রশিদ খান, মোহাম্মদ নবী, মুজিব উর রহমানের ভয়ংকর স্পিন ঘূর্নিকে।
সেই কঠিন কাজটাই করে দেখালেন আফিফ-মিরাজ। এরপরের গল্প শুধু নিজেদের দুজনকে নিয়েই লিখলেন। আফিফের বাউন্ডারিতে যখন বাংলাদেশ জয়ের বন্দরে পৌছালো তখন অন্য প্রান্তে ৮১ রান করে অপরাজিত থাকা মিরাজের চোখে-মুখে বাঁধভাঙা উচ্ছাস। আফিফ ৯৩ রানে অপরাজিত থাকলেও ম্যাচ সেরার পুরস্কারটা পেয়েছে সেই মিরাজই। তার মেধাদীপ্ত ব্যাটিং ও কিপটে বোলিং আফগানদের পথের কাঁটা হয়েছিল পুরো ম্যাচজুড়েই।
তাই তো ম্যাচ শেষে মিরাজের কণ্ঠেও ঝড়ল উচ্ছাস। এই টাইগার অলরাউন্ডার বলেই ফেললেন, ‘মানুষ পারে না এমন কোনো জিনিস নেই। শুধু প্রয়োজন বিশ্বাসের। সেই বিশ্বাসটাই আমাদের ছিল।’
কি কথা হয়েছিল তার আফিফের সঙ্গে? মিরাজ বললেন, ৬ উইকেট পতনের পর আফিফকে বলেছিলাম, ‘এই একটা ম্যাচ, যেটা আমরা জেতাতে পারি। শুধু বিশ্বাসটা রাখতে হবে।’ মিরাজ আরও বললেন, ‘আমরা চেয়েছে বল প্রতি বল খেলে যেতে। শুরুতে আমি নার্ভাস ছিলাম। তবে আফিফের ব্যাটিং দেখার পর আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছি। আফিফ অসাধারণ ছিল।’

দৈনিক দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
























