সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজাশাহীতে নৌবন্দর চালু হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে লাভবান হবে উভয় দেশ

রাজাশাহীতে নৌবন্দর চালু হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে লাভবান হবে উভয় দেশ

বাংলাদেশ-ভারত ৫ম সাংস্কৃতিক মিলনমেলা-২০২২ এর প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ভারতের মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান থেকে রাজশাহী হয়ে পাবনার ঈশ্বরদী পর্যন্ত পদ্মা নদীতে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নৌরুট চালু করা সম্ভব। নৌরুট চালুর মাধ্যমে রাজশাহী নৌবন্দর স্থাপনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। করোনা মহামারি কারণে নৌবন্দর স্থাপন কার্যক্রম থমকে ছিল। সেই প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক বিনিময়ের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহীর অর্থনীতিতে শক্তিশালী করার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। রোববার পুঠিয়া ও নাটোরে দিনব্যাপী বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। রাসিক মেয়র আরো বলেন, নৌরুট চালু করা সম্ভব হলে পাথর, কয়লা সহ গুরুত্বপূর্ণ ভোগ্যপণ্য আমদানিতে রাজশাহী নৌবন্দর যেমন গুরুত্ব রাখেবে তেমনি বাংলাদেশ পণ্য রপতানিতেও কাজে লাগবে। নদী পথে পণ্য পরিবহণে ব্যয় সড়ক পথের তুলনায় কম। সেক্ষেত্রে উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের মাঝেও আগ্রহ আছে।

রাসিক মেয়র আরো বলেন, রাজশাহী সহ উত্তরবঙ্গ থেকে অনেক মানুষ চিকিৎসার জন্য ভারতের বিভিন্ন স্থানে যান। সেজন্য রাজশাহী থেকে ভারতে ট্রেন যোগাযোগও চালু করতে চাই। এ ব্যাপারে উভয় দেশের রেল কর্তৃপক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চলছে। উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীর ৫০ বছর পূর্তিতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের উদ্যোগে রাজশাহীতে ২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি উভয় দেশের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে রোববার পুঠিয়া রাজবাড়ি এবং বিকেলে নাটোর রাজবাড়ি ও উত্তরা গণভবন পরিদর্শন করেন ভারতের অতিথিবৃন্দ।

এরআগে ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ-ভারত ৫ম সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় অংশ নিতে ভারতের মন্ত্রী সহ ৩৬ সদস্যের একটি দল রাজশাহীতে আসেন। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি মিলনমেলা শেষে তারা ভারতে ফিরে যাবেন। এদিকে মেলা চলাকালে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতায় রাজশাহী কলেজ মাঠে ৩৫ স্টলের অংশগ্রহণে পণ্য মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেলা আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে হাজার হাজার দর্শক রাজশাহী কলেজ মাঠে জড়ো হন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাজাশাহীতে নৌবন্দর চালু হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে লাভবান হবে উভয় দেশ

প্রকাশিত সময় : ০৪:২৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ মার্চ ২০২২

বাংলাদেশ-ভারত ৫ম সাংস্কৃতিক মিলনমেলা-২০২২ এর প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ভারতের মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান থেকে রাজশাহী হয়ে পাবনার ঈশ্বরদী পর্যন্ত পদ্মা নদীতে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নৌরুট চালু করা সম্ভব। নৌরুট চালুর মাধ্যমে রাজশাহী নৌবন্দর স্থাপনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। করোনা মহামারি কারণে নৌবন্দর স্থাপন কার্যক্রম থমকে ছিল। সেই প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক বিনিময়ের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহীর অর্থনীতিতে শক্তিশালী করার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। রোববার পুঠিয়া ও নাটোরে দিনব্যাপী বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। রাসিক মেয়র আরো বলেন, নৌরুট চালু করা সম্ভব হলে পাথর, কয়লা সহ গুরুত্বপূর্ণ ভোগ্যপণ্য আমদানিতে রাজশাহী নৌবন্দর যেমন গুরুত্ব রাখেবে তেমনি বাংলাদেশ পণ্য রপতানিতেও কাজে লাগবে। নদী পথে পণ্য পরিবহণে ব্যয় সড়ক পথের তুলনায় কম। সেক্ষেত্রে উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের মাঝেও আগ্রহ আছে।

রাসিক মেয়র আরো বলেন, রাজশাহী সহ উত্তরবঙ্গ থেকে অনেক মানুষ চিকিৎসার জন্য ভারতের বিভিন্ন স্থানে যান। সেজন্য রাজশাহী থেকে ভারতে ট্রেন যোগাযোগও চালু করতে চাই। এ ব্যাপারে উভয় দেশের রেল কর্তৃপক্ষের মধ্যে কথাবার্তা চলছে। উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীর ৫০ বছর পূর্তিতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের উদ্যোগে রাজশাহীতে ২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি উভয় দেশের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে রোববার পুঠিয়া রাজবাড়ি এবং বিকেলে নাটোর রাজবাড়ি ও উত্তরা গণভবন পরিদর্শন করেন ভারতের অতিথিবৃন্দ।

এরআগে ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ-ভারত ৫ম সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় অংশ নিতে ভারতের মন্ত্রী সহ ৩৬ সদস্যের একটি দল রাজশাহীতে আসেন। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি মিলনমেলা শেষে তারা ভারতে ফিরে যাবেন। এদিকে মেলা চলাকালে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতায় রাজশাহী কলেজ মাঠে ৩৫ স্টলের অংশগ্রহণে পণ্য মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেলা আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে হাজার হাজার দর্শক রাজশাহী কলেজ মাঠে জড়ো হন।