রাজশাহী নগরীতে শুরু হয়েছে সর্বাত্মক লকডাউন। শুক্রবার (১১ জুন) জুম্মার নামাজের পর থেকেই নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিতে দেখা গেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের। বিকেল ৫টার আগে থেকেই মোড়ে মোড়ে মাইকিং করে বাইরে থাকা লোকজনকে দ্রুত বাড়িতে চলে যেতে বলতে থাকেন তারা।
শুক্রবার বিকেলে সর্বাত্মক লকডাউনকে কেন্দ্র করে বিশেষ প্রস্ততি গ্রহণ করে প্রশাসন। পুলিশ নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে টহল দিয়ে মাইকিং করতে থাকেন। এরইমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয় শহরের সকল প্রবেশদ্বার। পুলিশ কাটাখালি চিনিকল, নওদাপাড়া আমচত্বর, কাশিয়াডাঙ্গাসহ কয়েকটি পয়েন্টে কঠোরভাবে অবস্থান নিয়ে উপজেলা থেকে শহরমুখী সকল যানবাহন ফিরিয়ে দেয়। অনেক যাত্রী পুলিশকে অনুরোধ করে প্রবেশের চেষ্টা করেও ঢুকতে পারেন নি। বাধার মুখে বিকল্প রাস্তা দিয়ে শহরে প্রবেশ করেন তারা।
বিকেলে জেলার মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট থেকে সিএনজিতে করে নগরীতে আসছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক। নাম গোপন রাখার শর্তে তিনি ভোরের কাগজকে জানান, নওহাটা পার হয়ে আমচত্বর আসতেই পুলিশের বাধার সম্মুখীন হয় তার যানবাহন।
এদিন সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট ও শহরের প্রবেশদ্বারগুলোতে বেশি কড়াকড়ি ছিল প্রশাসনের। বিকেল ৫টার দিকে নগরীর সাহেব বাজার জিরোপয়েন্ট এলাকায় লকডাউন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যান আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক। এ সময় তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত হয়েছে সাতদিন কঠোর লকডাউন হবে। লকডাউন মানে লকডাউন। আমরা চাই একটা কমপ্লিট লকডাউন।
পরে আবু কালাম সিদ্দিক রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারকে নিয়ে সাহেব বাজার ও আরডিএ মার্কেট এলাকা পরিদর্শন করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব দোকানপাট বন্ধ হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি পুলিশ সদস্যদের লকডাউনের বিষয়ে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক 

























