মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দোকানিকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের আদমপুর ইউনিয়নের মধ্যভাগ বাজারে ইয়াবা দিয়ে ফার্মেসী দোকানি ও মালিককে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে কমলগঞ্জ থানার সাদা পোশাকধারী দুই এসআই সিরাজুল ইসলাম ও হারুন-অর-রশীদ স্বপন কুমার সিংহ নামের ওই দোকানিকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু জনতার রোষানলে পড়ে তারা চলে যেতে বাধ্য হন।

শনিবার রাতে আদমপুর ইউনিয়নের মধ্যভাগ বাজারের নিউ মেডিসিন কর্ণার নামক ফার্মেসীতে ঘটনাটি ঘটে।

আদমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন জানান, শনিবার রাত ৯টায় কমলগঞ্জ থানার এসআই সিরাজুল ইসলাম ও এসআই হারুন-অর-রশীদ মাদক উদ্ধারের নামে স্বপন কুমার সিংহের নিউ মেডিসিন কর্ণারে আসেন।  তল্লাশির নামে ফার্মেসী তছনছ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে নিজেদের কাছে থাকা কয়েকটি ইয়াবা দোকানের ভেতর রেখে বলেন, এগুলো এ ফার্মেসীতে পাওয়া গেছে।

তল্লাশি চলার সময়ে সেখানে জড়ো হন সাধারণ মানুষ।  তারা বিক্ষুদ্ধ হয়ে এসআই সুরুজ আলী ও এসআই হারুন-অর-রশীদের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করেন। পরে প্রায় আধা ঘন্টা পরে ফার্মেসী মালিককে ছাড়াই তারা থানায় ফিরতে বাধ্য হন।

অভিযোগ সম্পর্কে কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়ারদৌস হাসান বলেন, এখানে তেমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।  কিছুটা ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল।  সমাধান হয়ে গেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

দোকানিকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ

প্রকাশিত সময় : ০৭:৫৩:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের আদমপুর ইউনিয়নের মধ্যভাগ বাজারে ইয়াবা দিয়ে ফার্মেসী দোকানি ও মালিককে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে কমলগঞ্জ থানার সাদা পোশাকধারী দুই এসআই সিরাজুল ইসলাম ও হারুন-অর-রশীদ স্বপন কুমার সিংহ নামের ওই দোকানিকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু জনতার রোষানলে পড়ে তারা চলে যেতে বাধ্য হন।

শনিবার রাতে আদমপুর ইউনিয়নের মধ্যভাগ বাজারের নিউ মেডিসিন কর্ণার নামক ফার্মেসীতে ঘটনাটি ঘটে।

আদমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন জানান, শনিবার রাত ৯টায় কমলগঞ্জ থানার এসআই সিরাজুল ইসলাম ও এসআই হারুন-অর-রশীদ মাদক উদ্ধারের নামে স্বপন কুমার সিংহের নিউ মেডিসিন কর্ণারে আসেন।  তল্লাশির নামে ফার্মেসী তছনছ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে নিজেদের কাছে থাকা কয়েকটি ইয়াবা দোকানের ভেতর রেখে বলেন, এগুলো এ ফার্মেসীতে পাওয়া গেছে।

তল্লাশি চলার সময়ে সেখানে জড়ো হন সাধারণ মানুষ।  তারা বিক্ষুদ্ধ হয়ে এসআই সুরুজ আলী ও এসআই হারুন-অর-রশীদের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করেন। পরে প্রায় আধা ঘন্টা পরে ফার্মেসী মালিককে ছাড়াই তারা থানায় ফিরতে বাধ্য হন।

অভিযোগ সম্পর্কে কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়ারদৌস হাসান বলেন, এখানে তেমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।  কিছুটা ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল।  সমাধান হয়ে গেছে।