বিয়েতে কনেকে স্বর্ণের গয়না দেওয়া কথা ছিল। কিন্তু বরপক্ষ নিয়ে যায় সিটি গোল্ডের গয়না। কনেকে সাজাতে গিয়ে বিষয়টি টের পেয়ে যান কনের ভাবী। এরপর বিষয়টি নিয়ে দুইপক্ষের কথা কাটাকাটি ও পরে তা গড়ায় মারামারিতে। সবশেষ বরপক্ষকে আটকে রেখে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও মেয়েকে তালাক করিয়ে নেয় কনে পক্ষ।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (১২ জুন) নীলফামারীর সৈয়দপুরে বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাখুলী সরকার পাড়ায়।
জানা গেছে, ওই এলাকার এক মেয়ের সাথে আড়াই মাস আগে বিয়ে রেজিস্ট্রি হয় দিনাজপুরের খানাসামা উপজেলার তেবাড়িয়া চৌপথি এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী হবিবর রহমানের ছেলের মফিজুল ইসলামের। শুক্রবার (১১ জুলাই) ছিল কনে বিদায়ের দিন। এদিন সন্ধ্যায় ৫০-৬০ জন বরযাত্রী নিয়ে কনেকে নিজ বাড়িতে নিতে আসেন বর মফিজুল। একদিকে বরপক্ষের খাওয়া-দাওয়া চলছিল আর অন্যদিকে কনে সাজানো হচ্ছিল। এর মধ্যে কনের ভাবী টের পান যে বরপক্ষের দেওয়া হাতের বালা দুটি সিটি গোল্ডের।
এ নিয়ে বরপক্ষের সঙ্গে শুরু হয় কথা-কাটাকাটি। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। সারা রাত বরপক্ষকে আটকে রাখেন কনেপক্ষের লোকজন। শনিবার দুপুরে দুই পক্ষের জনপ্রতিনিধির উপস্থিতিতে উপস্থিতিতে কনের তালাক হয় এবং ছেলেপক্ষের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়।
বোতলাগাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার জানান, দুই মাস আগে বিয়ে রেজিস্ট্রি হয়েছিল তাদের। শুক্রবার কনে নিয়ে যাওয়ার অনুষ্ঠান ছিল। এদিন রাতে মতবিরোধ তৈরি হওয়ায় বিয়ে ভেঙে যায় তাদের। আজ দুপুরে তালাক করে নেয়া হয় মেয়েকে।

নীলফামারী প্রতিনিধি 

























