শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সারা দেশে একই পদ্ধতিতে খতম তারাবি পড়ার আহ্বান

পবিত্র রমজান মাসে খতম তারাবি পড়ার সময় সারাদেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করার আহ্বান জা‌নি‌য়ে‌ছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।বুধবার (৩০ মার্চ) ইসলা‌মিক ফাউন্ডেশন এক প্রেস বিজ্ঞ‌প্তি‌তে এ আহ্বান জানায়।বিজ্ঞ‌প্তি‌তে তারাবি নামাজে প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা ও পরবর্তী ২১ দিনে এক পারা করে তিলাওয়াতের মাধ্যমে পবিত্র শবে কদরে কোরআন খতমের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সারা দেশের সব মসজিদের খতিব, ইমাম, মসজিদ কমিটি, মুসল্লি এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়।

বিজ্ঞ‌প্তি‌তে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাসে দেশের প্রায় সব মসজিদে খতম তারাবি নামাজে পবিত্র কোরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াত করার রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোন কোন মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে করে কর্ম উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী মুসল্লিদের মধ্যে কোরআন খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে একটি অতৃপ্তি ও মানসিক চাপ অনুভূত হয়। কোরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন।

এ পরিস্থিতি নিরসনকল্পে রমজানের প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে এক পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করলে ২৭ রমজান রাতে অর্থাৎ পবিত্র শবে কদরে পবিত্র কোরআন খতম করা সম্ভব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সারা দেশে একই পদ্ধতিতে খতম তারাবি পড়ার আহ্বান

প্রকাশিত সময় : ০৯:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ মার্চ ২০২২

পবিত্র রমজান মাসে খতম তারাবি পড়ার সময় সারাদেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করার আহ্বান জা‌নি‌য়ে‌ছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।বুধবার (৩০ মার্চ) ইসলা‌মিক ফাউন্ডেশন এক প্রেস বিজ্ঞ‌প্তি‌তে এ আহ্বান জানায়।বিজ্ঞ‌প্তি‌তে তারাবি নামাজে প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা ও পরবর্তী ২১ দিনে এক পারা করে তিলাওয়াতের মাধ্যমে পবিত্র শবে কদরে কোরআন খতমের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সারা দেশের সব মসজিদের খতিব, ইমাম, মসজিদ কমিটি, মুসল্লি এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়।

বিজ্ঞ‌প্তি‌তে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাসে দেশের প্রায় সব মসজিদে খতম তারাবি নামাজে পবিত্র কোরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াত করার রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোন কোন মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে করে কর্ম উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী মুসল্লিদের মধ্যে কোরআন খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে একটি অতৃপ্তি ও মানসিক চাপ অনুভূত হয়। কোরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন।

এ পরিস্থিতি নিরসনকল্পে রমজানের প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে এক পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করলে ২৭ রমজান রাতে অর্থাৎ পবিত্র শবে কদরে পবিত্র কোরআন খতম করা সম্ভব।