রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুই গোলে এগিয়ে থেকেও পিএসজির ড্র

চার ম্যাচ হাতে রেখেই লিগ ওয়ানের শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলেছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই। তাই মৌসুমের বাকি ম্যাচগুলো তাদের জন্য শুধুই আনুষ্ঠানিকতা। তবে স্ত্রাসবুর্গের বিপক্ষে এমবাপের জোড়া গোলে এগিয়ে থেকেও জিতেতে পারেনি তারা। শেষ দিকে দুই গোল শোধ করে চ‍্যাম্পিয়ন পিএসজিকে রুখে দিল স্ত্রাসবুর।

শুক্রবার রাতের লিগ ওয়ানে ম‍্যাচটি ৩-৩ গোলে ড্র হয়েছে। জোড়া গোল করা এমবাপের পর অবদান রাখেন আশরাফ হাকিমি।

ম্যাচের শুরুতেই স্ত্রাসবুরকে এগিয়ে নেন কেভিন গামেইরো। এক পর্যায়ে ৩-১ গোলে পিছিয়ে পড়া দলটি মার্কো ভেরাত্তির আত্মঘাতী গোলে ব‍্যবধান কমায়। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে অঁতনি কেসির গোলে ফেরায় সমতা।

ম্যাচের শুরুটাও খুব জঘন্যভাবে করেছিল পিএসজি। ম্যাচের বয়স যখন মাত্র ৩ মিনিট, তখনই স্ত্রাসবুর্গের কেভিন গামেইরোর গোলে পিছিয়ে পড়ে তারা। দারুণ গতিতে প্রেসনেল কিম্পেম্বেকে পেছনে ফেলে লুকাস পেরিনের পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জাল খুঁজে নেন গামেইরো। 

শুরুতেই গোল হজম করে কিছুটা হকচকিয়ে যায় মরিসিও পচেত্তিনোর শিষ্যরা। তবে ২৩ মিনিটে দারুণ এক প্রতি আক্রমণ থেকে এমবাপে দলকে সমতায় ফেরান। তাতে ১-১ গোলের সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪ মিনিটে উইংব্যাক আশরাফ হাকিমির গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। বাম পাশ থেকে ছয় ইয়ার্ড বক্সের মাঝে ফাঁকায় থাকা হাকিমিকে মাপা পাস বাড়ান এমবাপে, সেখান থেকে বল জালে জড়াতে হাকিমির মোটেই বেগ পেতে হয়নি।

এর চার মিনিট পর জিকুর ‘উপহার’ কাজে লাগিয়ে ব‍্যবধান আরও বাড়ান এমবাপে। মাঝমাঠ থেকে গোলরক্ষকের উদ্দেশ‍্যে দুর্বল ব‍্যাক পাস দেন জিকু। অনায়াসে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন পিএসজির আক্রমণভাগের প্রাণভোমরা।

৩-১ গোলে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি স্বাগতিক স্ত্রাসবুর্গ। ৭৫ মিনিটে পিএসজির বক্সের ভেতর স্ত্রাসবুর্গের হাবিব দিয়ালোর হেড পিএসজি মিডফিল্ডার মার্কো ভেরাত্তির গায়ে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। ভেরাত্তির এই আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে ফিরে আসে স্ত্রাসবুর্গ। 

আর শেষ সময়ে চ্যাম্পিয়নদের হতাশ করেন কেসি। অতিরিক্ত পাঁচ মিনিটের দ্বিতীয় মিনিটে খুব কাছ থেকে চমৎকার ফিনিশিংয়ে জাল খুঁজে নেন কেসি।

দুই গোলের লিড খুইয়ে শেষ পর্যন্ত ৩-৩ গোলে ড্র করে এক পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় শিরোপা নিশ্চিত করা দলটিকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

দুই গোলে এগিয়ে থেকেও পিএসজির ড্র

প্রকাশিত সময় : ১০:৪০:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২২

চার ম্যাচ হাতে রেখেই লিগ ওয়ানের শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলেছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই। তাই মৌসুমের বাকি ম্যাচগুলো তাদের জন্য শুধুই আনুষ্ঠানিকতা। তবে স্ত্রাসবুর্গের বিপক্ষে এমবাপের জোড়া গোলে এগিয়ে থেকেও জিতেতে পারেনি তারা। শেষ দিকে দুই গোল শোধ করে চ‍্যাম্পিয়ন পিএসজিকে রুখে দিল স্ত্রাসবুর।

শুক্রবার রাতের লিগ ওয়ানে ম‍্যাচটি ৩-৩ গোলে ড্র হয়েছে। জোড়া গোল করা এমবাপের পর অবদান রাখেন আশরাফ হাকিমি।

ম্যাচের শুরুতেই স্ত্রাসবুরকে এগিয়ে নেন কেভিন গামেইরো। এক পর্যায়ে ৩-১ গোলে পিছিয়ে পড়া দলটি মার্কো ভেরাত্তির আত্মঘাতী গোলে ব‍্যবধান কমায়। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে অঁতনি কেসির গোলে ফেরায় সমতা।

ম্যাচের শুরুটাও খুব জঘন্যভাবে করেছিল পিএসজি। ম্যাচের বয়স যখন মাত্র ৩ মিনিট, তখনই স্ত্রাসবুর্গের কেভিন গামেইরোর গোলে পিছিয়ে পড়ে তারা। দারুণ গতিতে প্রেসনেল কিম্পেম্বেকে পেছনে ফেলে লুকাস পেরিনের পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জাল খুঁজে নেন গামেইরো। 

শুরুতেই গোল হজম করে কিছুটা হকচকিয়ে যায় মরিসিও পচেত্তিনোর শিষ্যরা। তবে ২৩ মিনিটে দারুণ এক প্রতি আক্রমণ থেকে এমবাপে দলকে সমতায় ফেরান। তাতে ১-১ গোলের সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধের ৬৪ মিনিটে উইংব্যাক আশরাফ হাকিমির গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। বাম পাশ থেকে ছয় ইয়ার্ড বক্সের মাঝে ফাঁকায় থাকা হাকিমিকে মাপা পাস বাড়ান এমবাপে, সেখান থেকে বল জালে জড়াতে হাকিমির মোটেই বেগ পেতে হয়নি।

এর চার মিনিট পর জিকুর ‘উপহার’ কাজে লাগিয়ে ব‍্যবধান আরও বাড়ান এমবাপে। মাঝমাঠ থেকে গোলরক্ষকের উদ্দেশ‍্যে দুর্বল ব‍্যাক পাস দেন জিকু। অনায়াসে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন পিএসজির আক্রমণভাগের প্রাণভোমরা।

৩-১ গোলে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি স্বাগতিক স্ত্রাসবুর্গ। ৭৫ মিনিটে পিএসজির বক্সের ভেতর স্ত্রাসবুর্গের হাবিব দিয়ালোর হেড পিএসজি মিডফিল্ডার মার্কো ভেরাত্তির গায়ে লেগে জালে জড়িয়ে যায়। ভেরাত্তির এই আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে ফিরে আসে স্ত্রাসবুর্গ। 

আর শেষ সময়ে চ্যাম্পিয়নদের হতাশ করেন কেসি। অতিরিক্ত পাঁচ মিনিটের দ্বিতীয় মিনিটে খুব কাছ থেকে চমৎকার ফিনিশিংয়ে জাল খুঁজে নেন কেসি।

দুই গোলের লিড খুইয়ে শেষ পর্যন্ত ৩-৩ গোলে ড্র করে এক পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় শিরোপা নিশ্চিত করা দলটিকে।