সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সারাদেশে ৮৮২ হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক বন্ধ

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের অনিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শেষ হয়েছে রোববার (২৯ মে)। এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৮৮২টি বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ব্লাড ব্যাংক বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ১৬৭টি রয়েছে ঢাকা বিভাগে।

রোববার (২৯ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক বেলাল হোসেন সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা তিন দিন (৭২ ঘণ্টা) সময় দিয়েছিলাম। এখন পর্যন্ত ৮৮২ অবৈধ হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংক বন্ধ করে দিয়েছি আমরা।  অভিযান আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে অধ্যাপক বেলাল হোসেন বলেন, যাতে করে অনিবন্ধিত ও অনিয়মের দায়ে দণ্ডিত প্রতিষ্ঠানগুলো আবার গড়ে না ওঠে, সে জন্য এই অভিযান চলমান রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।

তিনি বলেন, ভোক্তা অধিদপ্তরের সঙ্গে আমাদের এ বিষয়ে কোনো কথা হয়নি। তারা তাদের মতো করে অভিযান চালিয়েছে। ঢাকার বাইরে সিভিল সার্জনদের নেতৃত্বে এবং রাজধানীতে অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে তিনটি টিম কাজ করেছে।

এর আগে গত ২৬ মে সারাদেশের অনিবন্ধিত বেসরকারি সব স্বাস্থ্যকেন্দ্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশনা দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পরদিন থেকে সারাদেশেই চলে অভিযান। এতে ৮৮২টি অবৈধ হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংক বন্ধ করা হয়েছে।

তবে মোট কতগুলো প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে, সেই তথ্য জানাতে পারেননি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সারাদেশে ৮৮২ হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক বন্ধ

প্রকাশিত সময় : ১১:০২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মে ২০২২

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের অনিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শেষ হয়েছে রোববার (২৯ মে)। এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৮৮২টি বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ব্লাড ব্যাংক বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ১৬৭টি রয়েছে ঢাকা বিভাগে।

রোববার (২৯ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক বেলাল হোসেন সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা তিন দিন (৭২ ঘণ্টা) সময় দিয়েছিলাম। এখন পর্যন্ত ৮৮২ অবৈধ হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংক বন্ধ করে দিয়েছি আমরা।  অভিযান আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে অধ্যাপক বেলাল হোসেন বলেন, যাতে করে অনিবন্ধিত ও অনিয়মের দায়ে দণ্ডিত প্রতিষ্ঠানগুলো আবার গড়ে না ওঠে, সে জন্য এই অভিযান চলমান রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।

তিনি বলেন, ভোক্তা অধিদপ্তরের সঙ্গে আমাদের এ বিষয়ে কোনো কথা হয়নি। তারা তাদের মতো করে অভিযান চালিয়েছে। ঢাকার বাইরে সিভিল সার্জনদের নেতৃত্বে এবং রাজধানীতে অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে তিনটি টিম কাজ করেছে।

এর আগে গত ২৬ মে সারাদেশের অনিবন্ধিত বেসরকারি সব স্বাস্থ্যকেন্দ্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশনা দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পরদিন থেকে সারাদেশেই চলে অভিযান। এতে ৮৮২টি অবৈধ হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংক বন্ধ করা হয়েছে।

তবে মোট কতগুলো প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে, সেই তথ্য জানাতে পারেননি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা।