মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেশি দামে চামড়া কিনে লোকসানে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা

বেশি দামে চামড়া কিনে প্রতিবারের মতো এবারেও ধরা খেয়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে গত বছরের তুলনায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়া সাত টাকা বেশি নির্ধারণ করে। এতে চামড়া ব্যবসায়ীরা আশান্বিত হয়ে বেশি চামড়া কিনেছিলেন। কিন্তু এতেই ধরা খেয়েছেন এসব মৌসুমি ব্যবসায়ী।

চামড়া ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, এবার চামড়া কিনেও লাভবান হতে পারেননি তারা। লালবাগ এলাকা থেকে ৮৫০ টাকা দিয়ে চামড়া কিনে পোস্তগোলা ট্যানারিতে একই দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন এক মৌসুমি ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, এর মধ্যে কিছু চামড়া বাতিলও করা হয়েছে। এতে লোকসান হয়েছে।

এদিকে, চামড়া ব্যবসায়ী হারুনুর রশিদ বলেন, তিনি ১০০ পিস চামড়া ৮০০ টাকা দরে কিনেছেন। কিন্তু এখন ক্রেতারা কম দাম বলছেন। বাধ্য হয়েই তাকে কম দামে চামড়া বিক্রি করতে হয়েছে।

এছাড়া, এবার চামড়ার দাম কম বলে অভিযোগ করে হাজারীবাগ মাদরাসার এক শিক্ষক বলেন, তিনি ১৫০ পিস চামড়া ৬৫০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন।

চামড়ার দামের বিষয়ে পোস্তগোলায় মৌসুমি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বললে তারা বলেন, সরকারের নির্ধারণ করে দেয়া দামে চামড়া কেনা হচ্ছে না।

এদিকে, মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের জন্যও লোকসানে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, ছোট ব্যবসায়ী হওয়ায় মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে চামড়া বিক্রি করতে হচ্ছে। কিন্তু তারা ৬০০-৭০০ টাকার বেশি দাম বলছেন না। অথচ গড়ে প্রতি পিস চামড়া কেনা হয়েছে ৭৫০-৮৫০ টাকা করে। ফলে প্রতি বছরের মতো এবারও লোকসানে পড়ছেন ছোট ছোট মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।ভোরের কাগজ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বেশি দামে চামড়া কিনে লোকসানে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা

প্রকাশিত সময় : ১১:৪৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ জুলাই ২০২২

বেশি দামে চামড়া কিনে প্রতিবারের মতো এবারেও ধরা খেয়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে গত বছরের তুলনায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়া সাত টাকা বেশি নির্ধারণ করে। এতে চামড়া ব্যবসায়ীরা আশান্বিত হয়ে বেশি চামড়া কিনেছিলেন। কিন্তু এতেই ধরা খেয়েছেন এসব মৌসুমি ব্যবসায়ী।

চামড়া ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, এবার চামড়া কিনেও লাভবান হতে পারেননি তারা। লালবাগ এলাকা থেকে ৮৫০ টাকা দিয়ে চামড়া কিনে পোস্তগোলা ট্যানারিতে একই দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন এক মৌসুমি ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, এর মধ্যে কিছু চামড়া বাতিলও করা হয়েছে। এতে লোকসান হয়েছে।

এদিকে, চামড়া ব্যবসায়ী হারুনুর রশিদ বলেন, তিনি ১০০ পিস চামড়া ৮০০ টাকা দরে কিনেছেন। কিন্তু এখন ক্রেতারা কম দাম বলছেন। বাধ্য হয়েই তাকে কম দামে চামড়া বিক্রি করতে হয়েছে।

এছাড়া, এবার চামড়ার দাম কম বলে অভিযোগ করে হাজারীবাগ মাদরাসার এক শিক্ষক বলেন, তিনি ১৫০ পিস চামড়া ৬৫০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন।

চামড়ার দামের বিষয়ে পোস্তগোলায় মৌসুমি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বললে তারা বলেন, সরকারের নির্ধারণ করে দেয়া দামে চামড়া কেনা হচ্ছে না।

এদিকে, মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের জন্যও লোকসানে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, ছোট ব্যবসায়ী হওয়ায় মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে চামড়া বিক্রি করতে হচ্ছে। কিন্তু তারা ৬০০-৭০০ টাকার বেশি দাম বলছেন না। অথচ গড়ে প্রতি পিস চামড়া কেনা হয়েছে ৭৫০-৮৫০ টাকা করে। ফলে প্রতি বছরের মতো এবারও লোকসানে পড়ছেন ছোট ছোট মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।ভোরের কাগজ