শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যারা

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (১৯ জুন) গভীর রাতে উপজেলার পাকড়ি ইউনিয়নের ললিতনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু ওই গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

পুলিশ জানায়, মরদেহ দেখে ধারণা করা হচ্ছে রাতের যে কোনো এক সময় শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এরপর মরদেহ খড়ের পালার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

গোদাগাড়ীর কাঁকনহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মাহমুদুল হাসান জানান, শনিবার রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শিশুটি বাড়িতে টিভি দেখছিল। পরে একাই ঘুমাতে যায়। রবিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে তার বাবা-মা মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে তারা বাড়ির পাশের একটি খড়ের পালার নিচে তার মরদেহ দেখতে পান।

তিনি জানান, খবর পেয়ে কাঁকনহাট পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মরদেহটি ঘটনাস্থলেই ছিল। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

মাহমুদুল হাসান জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ নিয়ে গোদাগাড়ী থানায় হত্যা মামলা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যারা

প্রকাশিত সময় : ০৫:২৫:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (১৯ জুন) গভীর রাতে উপজেলার পাকড়ি ইউনিয়নের ললিতনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু ওই গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

পুলিশ জানায়, মরদেহ দেখে ধারণা করা হচ্ছে রাতের যে কোনো এক সময় শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এরপর মরদেহ খড়ের পালার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

গোদাগাড়ীর কাঁকনহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মাহমুদুল হাসান জানান, শনিবার রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শিশুটি বাড়িতে টিভি দেখছিল। পরে একাই ঘুমাতে যায়। রবিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে তার বাবা-মা মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে তারা বাড়ির পাশের একটি খড়ের পালার নিচে তার মরদেহ দেখতে পান।

তিনি জানান, খবর পেয়ে কাঁকনহাট পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মরদেহটি ঘটনাস্থলেই ছিল। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

মাহমুদুল হাসান জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ নিয়ে গোদাগাড়ী থানায় হত্যা মামলা হবে।