সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস আজ

বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস আজ। বিশ্বের ১২১টি দেশে একযোগে এই দিনে ফিজিওথেরাপি দিবস পালন করা হয়। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘অস্টিওআর্থাইটিস চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপি সবচেয়ে কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি’। 

১৯৯৬ সালে ওয়ার্ল্ড কনফেডারেশন ফর ফিজিক্যাল থেরাপি ৮ সেপ্টেম্বরকে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ) ২০০৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ দিবসটি পালন করে আসছে।

দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সমাজের প্রতিবন্ধী ও প্রতিবন্ধিতার ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বাস্তবায়ন করতে সর্বত সহায়তা প্রদান করছে। আমরা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন ১০৩টি প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র এবং ৩২টি মোবাইল থেরাপি ভ্যানের মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রান্তিক মানুষকে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসাসেবা দিচ্ছি। অটিজম রিসার্চ সেন্টারের মাধ্যমে অটিজম সমস্যাগ্রস্থ শিশু ও ব্যক্তিকে বিনামূল্যে ম্যানুয়াল এবং ইনস্ট্রুমেন্টাল থেরাপিসহ কাউন্সেলিং সেবা প্রদান করছি।

সিআরপি অস্টিও-আর্থাইটিস চিকিৎসার ক্ষেত্রেও অসামান্য অবদান রাখবে এমন আশা প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সরকার দক্ষতার সাথে অস্টিও-আর্থ্রাইটিসসহ বাত-ব্যথা ও প্যারালাইসিস রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করেছে। বিভিন্ন গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে- চল্লিশোর্ধ ব্যক্তিদের প্রায় ২৭.৭ শতাংশ অস্টিও-আর্থ্রাইটিস রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং এই রোগের চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেহেতু সিআরপি প্রতি বছর ৯টি শাখার মাধ্যমে দেশের প্রায় ৮০ হাজার রোগীকে ফিজিওথেরাপি সেবা প্রদান করে আসছে।

দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা, অসারতাসহ এ ধরনের রোগ নিরাময়ে বিশ্বব্যাপী ফিজিওথেরাপি একটি স্বীকৃত, কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন চিকিৎসা পদ্ধতি। 

ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের তথ্যমতে বাংলাদেশে ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব ৭ দশমিক ৩ শতাংশ অস্টিওআথ্রাইটিস রোগী রয়েছেন, যাদের বেশিরভাগ নারী স্থূলতায় আক্রান্ত বা শারীরিক কার্যক্রমে কম সক্রিয়। অস্টিওআর্থাইটিস হলে হাড়জোড়ে ও মাংসপেশিতে ব্যথা হয়, চলাফেরায় কষ্ট হয়, এমনকি প্রতিবন্ধী হয়ে যাওয়ারও ঝুঁকি থাকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ বারের মতো হাল্ট প্রাইজ’র গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত

বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস আজ

প্রকাশিত সময় : ১১:০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস আজ। বিশ্বের ১২১টি দেশে একযোগে এই দিনে ফিজিওথেরাপি দিবস পালন করা হয়। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘অস্টিওআর্থাইটিস চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপি সবচেয়ে কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি’। 

১৯৯৬ সালে ওয়ার্ল্ড কনফেডারেশন ফর ফিজিক্যাল থেরাপি ৮ সেপ্টেম্বরকে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ) ২০০৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ দিবসটি পালন করে আসছে।

দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সমাজের প্রতিবন্ধী ও প্রতিবন্ধিতার ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বাস্তবায়ন করতে সর্বত সহায়তা প্রদান করছে। আমরা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন ১০৩টি প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র এবং ৩২টি মোবাইল থেরাপি ভ্যানের মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রান্তিক মানুষকে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসাসেবা দিচ্ছি। অটিজম রিসার্চ সেন্টারের মাধ্যমে অটিজম সমস্যাগ্রস্থ শিশু ও ব্যক্তিকে বিনামূল্যে ম্যানুয়াল এবং ইনস্ট্রুমেন্টাল থেরাপিসহ কাউন্সেলিং সেবা প্রদান করছি।

সিআরপি অস্টিও-আর্থাইটিস চিকিৎসার ক্ষেত্রেও অসামান্য অবদান রাখবে এমন আশা প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সরকার দক্ষতার সাথে অস্টিও-আর্থ্রাইটিসসহ বাত-ব্যথা ও প্যারালাইসিস রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করেছে। বিভিন্ন গবেষণায় প্রকাশিত হয়েছে- চল্লিশোর্ধ ব্যক্তিদের প্রায় ২৭.৭ শতাংশ অস্টিও-আর্থ্রাইটিস রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং এই রোগের চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেহেতু সিআরপি প্রতি বছর ৯টি শাখার মাধ্যমে দেশের প্রায় ৮০ হাজার রোগীকে ফিজিওথেরাপি সেবা প্রদান করে আসছে।

দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা, অসারতাসহ এ ধরনের রোগ নিরাময়ে বিশ্বব্যাপী ফিজিওথেরাপি একটি স্বীকৃত, কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন চিকিৎসা পদ্ধতি। 

ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের তথ্যমতে বাংলাদেশে ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব ৭ দশমিক ৩ শতাংশ অস্টিওআথ্রাইটিস রোগী রয়েছেন, যাদের বেশিরভাগ নারী স্থূলতায় আক্রান্ত বা শারীরিক কার্যক্রমে কম সক্রিয়। অস্টিওআর্থাইটিস হলে হাড়জোড়ে ও মাংসপেশিতে ব্যথা হয়, চলাফেরায় কষ্ট হয়, এমনকি প্রতিবন্ধী হয়ে যাওয়ারও ঝুঁকি থাকে।