মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘চ্যাম্পিয়ন হওয়াটাই আলো’-বাফুফের অন্ধকার ভবন নিয়ে সালাম মুর্শেদী

সাবিনাদের বরণের সময় অন্ধকারে ডুব দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। নেই কোনো আলোকসজ্জা কিংবা বাড়তি লাইটের অবস্থা। বিল্ডিংয়ের কর্নারে জ্বলছে একটিমাত্র হ্যালোজিন।

বাফুফের এই অন্ধকার পরিবেশ নিয়ে সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাম মুর্শেদী দায়সারা উত্তর দিয়ে পাশ কাটিয়ে যেতে চাইছেন। তার উত্তর মেয়েদের চ্যাম্পিয়ন হওয়াটাই আলো।

উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আজকের দিনটি হলো আমাদের গর্বের দিন, আনন্দের দিন। এই আনন্দের মধ্যে আলো আছে। তারা যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এটাইতো আলো।’

এর আগে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট নিয়ে বুধবার দুপুরে দেশে পা রাখে নারী ফুটবলাররা। তাদের বহনকারী বিমান দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে হজরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল ও বাফুফে প্রতিনিধিরা তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

এরপর সেখানে সংবাদ সম্মেলন সেরে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ছাদখোলা বাসে করে বাফুফের পথে রওনা হয় দল। বিমানবন্দরের বাইরে ব্যান্ড বাজিয়ে তাদের বরণ করা হয়। ছাদখোলা বাসে করে চ্যাম্পিয়নরা বিমানবন্দর থেকে বনানী, মহাখালী হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দিয়ে বিজয় স্মরণী উড়ালসেতু দিয়ে বাঁয়ে চলে যায়। এরপর তেজগাঁও, কাকরাইল, ফকিরাপুল, আরামবাগ, শাপলা চত্বর ঘুরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ফুটবলাররা পৌঁছান বাফুফে ভবনে।

দীর্ঘ এ যাত্রাপথে সাবিনা-সানজিদাদের জন্য রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন সাধারণ মানুষ। যাদের প্রাণভরা ভালোবসায় সিক্ত হন সাফের চ্যাম্পিয়নরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

‘চ্যাম্পিয়ন হওয়াটাই আলো’-বাফুফের অন্ধকার ভবন নিয়ে সালাম মুর্শেদী

প্রকাশিত সময় : ১১:২৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২

সাবিনাদের বরণের সময় অন্ধকারে ডুব দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। নেই কোনো আলোকসজ্জা কিংবা বাড়তি লাইটের অবস্থা। বিল্ডিংয়ের কর্নারে জ্বলছে একটিমাত্র হ্যালোজিন।

বাফুফের এই অন্ধকার পরিবেশ নিয়ে সিনিয়র সহ-সভাপতি সালাম মুর্শেদী দায়সারা উত্তর দিয়ে পাশ কাটিয়ে যেতে চাইছেন। তার উত্তর মেয়েদের চ্যাম্পিয়ন হওয়াটাই আলো।

উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আজকের দিনটি হলো আমাদের গর্বের দিন, আনন্দের দিন। এই আনন্দের মধ্যে আলো আছে। তারা যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এটাইতো আলো।’

এর আগে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট নিয়ে বুধবার দুপুরে দেশে পা রাখে নারী ফুটবলাররা। তাদের বহনকারী বিমান দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে হজরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল ও বাফুফে প্রতিনিধিরা তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

এরপর সেখানে সংবাদ সম্মেলন সেরে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ছাদখোলা বাসে করে বাফুফের পথে রওনা হয় দল। বিমানবন্দরের বাইরে ব্যান্ড বাজিয়ে তাদের বরণ করা হয়। ছাদখোলা বাসে করে চ্যাম্পিয়নরা বিমানবন্দর থেকে বনানী, মহাখালী হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দিয়ে বিজয় স্মরণী উড়ালসেতু দিয়ে বাঁয়ে চলে যায়। এরপর তেজগাঁও, কাকরাইল, ফকিরাপুল, আরামবাগ, শাপলা চত্বর ঘুরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ফুটবলাররা পৌঁছান বাফুফে ভবনে।

দীর্ঘ এ যাত্রাপথে সাবিনা-সানজিদাদের জন্য রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন সাধারণ মানুষ। যাদের প্রাণভরা ভালোবসায় সিক্ত হন সাফের চ্যাম্পিয়নরা।