মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হার দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে আদতে টি-টোয়েন্টিতে কিছুই বদলাল না বাংলাদেশ দলের। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৬৭ রান তাড়ায় বাংলাদেশ থেমেছে ৮ উইকেটে ১৪৬ রানেই। ২১ রানে হেরেছে তারা।

শুক্রবার (৭ অক্টোবর) ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। তবে এ ম্যাচে খেলেননি সাকিব আল হাসান।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৫২ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় পাকিস্তান। ২৫ বলে ২২ রান করে মিরাজের বলে মোস্তাফিজের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হন অধিনায়ক বাবর আজম। এরপর শান মাসুদের সঙ্গে ৪২ রানের জুটি হয় মোহাম্মদ রিজওয়ানের।

৪ চার ও ১ ছক্কায় ২২ বলে ৩১ রান করে নাসুম আহমেদের শিকার হন তিনি। ৬ বলে ৬ রান করা হায়দার আলির ক্যাচ দারুণভাবে ধরেন বাউন্ডারির কাছে দাঁড়ানো ইয়াসির আলি রাব্বি।

একপ্রান্তে উইকেট গেলেও অন্য প্রান্তে হাল ধরেন রিজওয়ান। শেষ অবধি অপরাজিত থেকে ৫০ বলে ৭৮ রান করেন তিনি। তার ইনিংসের উপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৭ রান তুলে পাকিস্তান।

বাংলাদেশের পক্ষে ৪ ওভার বল করে ২৫ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন তাসকিন। ৪ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে উইকেট শূন্য ছিলেন মোস্তাফিজ।

জবাব দিতে নেমে মেক শিফট ওপেনার সাব্বির রহমান ও মেহেদি মিরাজ ২৫ রান যোগ করেন। মিরাজ ফিরে যান ১১ বলে এক ছক্কায় ১০ রান করে। সাব্বির করেন ১৮ বলে ১৪ রান। দলের ৩৭ রানে আউট হন তিনি। তৃতীয় উইকেটে লিটন দাস ও আফিফ হোসেন ৫০ রানের ভালো জুটি দেন। দলকে ওই জুটি আশাও দেখাচ্ছিল।

কিন্তু ইনিংসের ১৩তম ওভারে লিটন ২৬ বলে চারটি চার ও এক ছক্কায় ৩৫ রান করে আউট হন। দলের রান তখন ৮৭। পরের বলেই আউট হন মোসাদ্দেক হোসেন। চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। মাথার ওপর রান তাড়ার বোঝা নিয়ে ব্যাট তুলতেই আউট হন আফিফ হোসেন। তিনি করেন ২৩ বলে ২৫ রান। অধিনায়ক সোহান ৮ করে আউট হতেই ১০১ রানে ৬ উইকেট হয়ে যায় বাংলাদেশ।

সেখান থেকে একা লড়াই করে হারের ব্যবধান কমানো ছাড়া কিছু করতে পারেননি মাহমুদুল্লাহর জায়গায় দলে আসা ইয়াসির। তিনি দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২১ বলে ৪২ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন। পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা মারেন। এর মধ্যে হার নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পর হ্যারিস রউফের শেষ ওভারে তিনি নেন ২০ রান। বাংলাদেশের স্কোর বোর্ড ওঠে ৮ উইকেটে ১৪৬ রান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

হার দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

প্রকাশিত সময় : ১২:৪৯:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২

ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে আদতে টি-টোয়েন্টিতে কিছুই বদলাল না বাংলাদেশ দলের। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৬৭ রান তাড়ায় বাংলাদেশ থেমেছে ৮ উইকেটে ১৪৬ রানেই। ২১ রানে হেরেছে তারা।

শুক্রবার (৭ অক্টোবর) ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। তবে এ ম্যাচে খেলেননি সাকিব আল হাসান।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৫২ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় পাকিস্তান। ২৫ বলে ২২ রান করে মিরাজের বলে মোস্তাফিজের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হন অধিনায়ক বাবর আজম। এরপর শান মাসুদের সঙ্গে ৪২ রানের জুটি হয় মোহাম্মদ রিজওয়ানের।

৪ চার ও ১ ছক্কায় ২২ বলে ৩১ রান করে নাসুম আহমেদের শিকার হন তিনি। ৬ বলে ৬ রান করা হায়দার আলির ক্যাচ দারুণভাবে ধরেন বাউন্ডারির কাছে দাঁড়ানো ইয়াসির আলি রাব্বি।

একপ্রান্তে উইকেট গেলেও অন্য প্রান্তে হাল ধরেন রিজওয়ান। শেষ অবধি অপরাজিত থেকে ৫০ বলে ৭৮ রান করেন তিনি। তার ইনিংসের উপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৭ রান তুলে পাকিস্তান।

বাংলাদেশের পক্ষে ৪ ওভার বল করে ২৫ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন তাসকিন। ৪ ওভারে ৪৮ রান দিয়ে উইকেট শূন্য ছিলেন মোস্তাফিজ।

জবাব দিতে নেমে মেক শিফট ওপেনার সাব্বির রহমান ও মেহেদি মিরাজ ২৫ রান যোগ করেন। মিরাজ ফিরে যান ১১ বলে এক ছক্কায় ১০ রান করে। সাব্বির করেন ১৮ বলে ১৪ রান। দলের ৩৭ রানে আউট হন তিনি। তৃতীয় উইকেটে লিটন দাস ও আফিফ হোসেন ৫০ রানের ভালো জুটি দেন। দলকে ওই জুটি আশাও দেখাচ্ছিল।

কিন্তু ইনিংসের ১৩তম ওভারে লিটন ২৬ বলে চারটি চার ও এক ছক্কায় ৩৫ রান করে আউট হন। দলের রান তখন ৮৭। পরের বলেই আউট হন মোসাদ্দেক হোসেন। চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। মাথার ওপর রান তাড়ার বোঝা নিয়ে ব্যাট তুলতেই আউট হন আফিফ হোসেন। তিনি করেন ২৩ বলে ২৫ রান। অধিনায়ক সোহান ৮ করে আউট হতেই ১০১ রানে ৬ উইকেট হয়ে যায় বাংলাদেশ।

সেখান থেকে একা লড়াই করে হারের ব্যবধান কমানো ছাড়া কিছু করতে পারেননি মাহমুদুল্লাহর জায়গায় দলে আসা ইয়াসির। তিনি দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২১ বলে ৪২ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন। পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা মারেন। এর মধ্যে হার নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পর হ্যারিস রউফের শেষ ওভারে তিনি নেন ২০ রান। বাংলাদেশের স্কোর বোর্ড ওঠে ৮ উইকেটে ১৪৬ রান।