বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ট্রাফিক পুলিশের চেষ্টায় রক্ষা পেল ১২ প্রাণ

রাজধানীতে ট্রাফিক পুলিশের চেষ্টায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন বাসের ১২ যাত্রী। বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১টায় জুরাইন রেল ক্রসিং এলাকায় একটি বাস আটকাপড়লে সেটি দ্রুত ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে ফেলেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা। এতেই রক্ষা পান ওই বাসের যাত্রীরা।

জানা গেছে, জুরাইন রেল ক্রসিংয়ে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আটকাপড়ে রাইদা পরিবহনের একটি বাস। ঠিক সেই মুহূর্তে নারায়ণগঞ্জ থেকে কমলাপুরে আসছিল একটি কমিউটার ট্রেন। তখনই রেলের বার পড়ে যায়।

গাড়ির চালক বারবার চেষ্টা করেও স্টার্ট করতে পারছিলেন না। তখনই এগিয়ে আসে ডিএমপির ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা। তাদের দ্রুত পদক্ষেপে রক্ষা পায় বাসে থাকা ১২ যাত্রীর প্রাণ।

ডিএমপির ট্রাফিক ওয়ারী জোনের টিআই বিপ্লব ভৌমিক জানান, রাইদা পরিবহনের একটি বাস যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জুরাইন রেল লাইনের ওপর উঠা মাত্র বন্ধ হয়ে যায়। চালক অনেক চেষ্টা করেও স্টার্ট করতে পারছিলেন না। আর ঠিক সেই মুহূর্তে নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি কমিউটার ট্রেন ঢাকার দিকে আসছিল।

তিনি বলেন, কোনো উপায় না পেয়ে তিনিসহ সঙ্গে থাকা সার্জেন্ট আমান উল্লা পলাশ, সার্জেন্ট সামছুদ্দোহা ও কনস্টেবল মো. শাহাদাত হোসেনসহ পথচারী ও অন্যান্য গাড়ির চালকদের সঙ্গে নিয়ে ধাক্কা দিয়ে রেল লাইন পার করে দেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই কমলাপুরগামী কমিউটার ট্রেনটি জুরাইন রেল ক্রসিং অতিক্রম করে। রক্ষা পায় বাসে থাকা ১২ যাত্রীর প্রাণ।

ট্রাফিক পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে বাসের যাত্রীসহ সাধারণ জনগণ ট্রাফিক পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করেন ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ট্রাফিক পুলিশের চেষ্টায় রক্ষা পেল ১২ প্রাণ

প্রকাশিত সময় : ১১:০৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২২

রাজধানীতে ট্রাফিক পুলিশের চেষ্টায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন বাসের ১২ যাত্রী। বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১টায় জুরাইন রেল ক্রসিং এলাকায় একটি বাস আটকাপড়লে সেটি দ্রুত ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে ফেলেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা। এতেই রক্ষা পান ওই বাসের যাত্রীরা।

জানা গেছে, জুরাইন রেল ক্রসিংয়ে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আটকাপড়ে রাইদা পরিবহনের একটি বাস। ঠিক সেই মুহূর্তে নারায়ণগঞ্জ থেকে কমলাপুরে আসছিল একটি কমিউটার ট্রেন। তখনই রেলের বার পড়ে যায়।

গাড়ির চালক বারবার চেষ্টা করেও স্টার্ট করতে পারছিলেন না। তখনই এগিয়ে আসে ডিএমপির ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা। তাদের দ্রুত পদক্ষেপে রক্ষা পায় বাসে থাকা ১২ যাত্রীর প্রাণ।

ডিএমপির ট্রাফিক ওয়ারী জোনের টিআই বিপ্লব ভৌমিক জানান, রাইদা পরিবহনের একটি বাস যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জুরাইন রেল লাইনের ওপর উঠা মাত্র বন্ধ হয়ে যায়। চালক অনেক চেষ্টা করেও স্টার্ট করতে পারছিলেন না। আর ঠিক সেই মুহূর্তে নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি কমিউটার ট্রেন ঢাকার দিকে আসছিল।

তিনি বলেন, কোনো উপায় না পেয়ে তিনিসহ সঙ্গে থাকা সার্জেন্ট আমান উল্লা পলাশ, সার্জেন্ট সামছুদ্দোহা ও কনস্টেবল মো. শাহাদাত হোসেনসহ পথচারী ও অন্যান্য গাড়ির চালকদের সঙ্গে নিয়ে ধাক্কা দিয়ে রেল লাইন পার করে দেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই কমলাপুরগামী কমিউটার ট্রেনটি জুরাইন রেল ক্রসিং অতিক্রম করে। রক্ষা পায় বাসে থাকা ১২ যাত্রীর প্রাণ।

ট্রাফিক পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে বাসের যাত্রীসহ সাধারণ জনগণ ট্রাফিক পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করেন ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।