রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিদায় ও কল্যাণের দোয়া

নানা সময় আমরা অন্যদের বিদায় জানাই। এমন সময় তাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনা করা সবার কর্তব্য। হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাউকে বিদায় জানালে একটি দোয়া পড়তেন। তা হালো উচ্চারণ : ‘আসতাওদিউল্লাহা দ্বিনাকা ওয়া আমানাতাকা ওয়া খাওয়াতিমা আমালিকা।’ অন্য হাদিসে এসেছে, ‘জাওওয়াদাকাল্লাহুত তাকওয়া, ওয়া গাফারা জানবাকা, ওয়া ইয়াসসারা লাকাল খাইরা হাইসু মা কুনতা।’ অর্থ : আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি, যেন তিনি তোমার দ্বীন, আমানত ও শেষ আমলকে হেফাজত করেন। অপর দোয়ার অর্থ, আল্লাহ তোমাকে তাকওয়া দান করুন, ক্ষমা করুন। তুমি যেখানেই থাক সেখানে তোমার জন্য কল্যাণকর সবকিছু সহজ করুন। হাদিস : আবদুল্লাহ বিন ওমর (রা.) বর্ণনা করেছেন, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন কাউকে বিদায় জানাতেন তিনি তার হাত ধরতেন। ওই ব্যক্তি তার হাত না ছাড়া পর্যন্ত তিনি তার হাত ছাড়তেন না। অতঃপর উল্লিখিত দোয়াটি পড়তেন। সুনানে আবু দাউদ : ২৬০০ অন্য দোয়া প্রসঙ্গে হাদিসে এসেছে, আনাস বিন মালেক (রা.) বর্ণনা করেছেন, এক ব্যক্তি নবী করিম (সা.)-কে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আমি সফরের ইচ্ছা করেছি, আমাকে কিছু পাথেয় দিন। তখন তিনি বলেছেন, আল্লাহতায়ালা তোমাকে তাকওয়া দান করুন। লোকটি বলল, আরও কিছু দিন। তখন তিনি বলেন, তোমাকে ক্ষমা করুন। লোকটি বলল, আরও কিছু দিন, তুমি যেখানেই থাক সেখানে তোমার জন্য কল্যাণকর সবকিছু সহজ করুন। জামে তিরমিজি : ৩৪৪৪

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বিদায় ও কল্যাণের দোয়া

প্রকাশিত সময় : ০৬:৩৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৩

নানা সময় আমরা অন্যদের বিদায় জানাই। এমন সময় তাদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনা করা সবার কর্তব্য। হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাউকে বিদায় জানালে একটি দোয়া পড়তেন। তা হালো উচ্চারণ : ‘আসতাওদিউল্লাহা দ্বিনাকা ওয়া আমানাতাকা ওয়া খাওয়াতিমা আমালিকা।’ অন্য হাদিসে এসেছে, ‘জাওওয়াদাকাল্লাহুত তাকওয়া, ওয়া গাফারা জানবাকা, ওয়া ইয়াসসারা লাকাল খাইরা হাইসু মা কুনতা।’ অর্থ : আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি, যেন তিনি তোমার দ্বীন, আমানত ও শেষ আমলকে হেফাজত করেন। অপর দোয়ার অর্থ, আল্লাহ তোমাকে তাকওয়া দান করুন, ক্ষমা করুন। তুমি যেখানেই থাক সেখানে তোমার জন্য কল্যাণকর সবকিছু সহজ করুন। হাদিস : আবদুল্লাহ বিন ওমর (রা.) বর্ণনা করেছেন, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন কাউকে বিদায় জানাতেন তিনি তার হাত ধরতেন। ওই ব্যক্তি তার হাত না ছাড়া পর্যন্ত তিনি তার হাত ছাড়তেন না। অতঃপর উল্লিখিত দোয়াটি পড়তেন। সুনানে আবু দাউদ : ২৬০০ অন্য দোয়া প্রসঙ্গে হাদিসে এসেছে, আনাস বিন মালেক (রা.) বর্ণনা করেছেন, এক ব্যক্তি নবী করিম (সা.)-কে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আমি সফরের ইচ্ছা করেছি, আমাকে কিছু পাথেয় দিন। তখন তিনি বলেছেন, আল্লাহতায়ালা তোমাকে তাকওয়া দান করুন। লোকটি বলল, আরও কিছু দিন। তখন তিনি বলেন, তোমাকে ক্ষমা করুন। লোকটি বলল, আরও কিছু দিন, তুমি যেখানেই থাক সেখানে তোমার জন্য কল্যাণকর সবকিছু সহজ করুন। জামে তিরমিজি : ৩৪৪৪