শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্রীমঙ্গল দীপশিখা সেন্টারে টুইন টেস্টটিউব বেবীর জন্ম

শ্রীমঙ্গলে সিলেট বিভাগের একমাত্র টেস্টটিউব বেবী সেন্টার দীপশিখা ইনফার্টিলিটি কেয়ার অ্যান্ড কাউন্সিলিং সেন্টারে সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে হিমায়িত ভ্রƒণ থেকে টুইন টেস্টটিউব বেবীর জন্ম হয়েছে। আজ শনিবার দীপশিখা সেন্টারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। জন্ম নেয়া টুইন বেবীদের মধ্যে একটি ছেলে ও অপরটি কন্যা শিশু। বর্তমানে মা ও শিশুদ্ধয় সুস্থ রয়েছেন। টেস্টটিউব বেবীর ছেলে শিশুটির ওজন হয়েছে ১.৭ কেজি ও মেয়ে শিশুটির ওজন হয়েছে ১.৯ কেজি। দীপশিখা কর্তৃপক্ষ এই সেন্টারে চতুর্থ বারের মতো জন্ম নেওয়া টেস্ট টিউব বেবী দুইটির নাম রেখেছেন দীপ্তম ও দীপশ্রী। দীপশিখা সেন্টারের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন অপারেশন থিয়েটারে ডা. নিবাস চন্দ্র পাল এই সিজারিয়ান অপারেশন করেন। দীপশিখা ইনফার্টিলিটি কেয়ার অ্যান্ড কাউন্সিলিং সেন্টারের প্রধান পরামর্শক ডা. নিবাস চন্দ্র পাল, এমবিবিএস, এফসিপিএস (অবস্ এন্ড গাইনী) জানান, ২০২১ সাল থেকে দীপশিখা সেন্টারে টেস্টটিউব বেবী কার্যক্রম শুরু হয়। তিনি ২০১৩ সাল থেকে টেস্টটিউব বেবীর উপর নিজস্ব গবেষণা কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। ২০১৮ সালের ২৫ জুলাই শ্রীমঙ্গলের কলেজ রোডে প্রসূতি, স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় সিলেট বিভাগের প্রথম এবং একমাত্র সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল দীপশিখা ইনফার্টিলিটি কেয়ার অ্যান্ড কাউন্সিলিং সেন্টার গড়ে তোলেন। এরপরই ২০২১ সাল থেকে টেস্ট টিউব বেবী কার্যক্রম শুরু করেন। তিনি জানান, বর্তমানে আরও ১৫ জন বন্ধ্যা নারী টেস্ট টিউব বেবী জন্মদানের অপেক্ষায় রয়েছেন। তিনি জানান, ইক্সি পদ্ধতির মাধ্যমে আইভিএফ (ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) এর মাধ্যমে এ টেস্ট টিউব বেবীর জন্ম হয়। এ কার্যক্রমে ডা. নিবাস চন্দ্র পালকে সহযোগিতা করেন ডা. দীপাঞ্জলী পাল ও ডা. রিপন ভৌমিক। তিনি জানান, গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওই বন্ধ্যা নারীর ডিম্বানু সংগ্রহ ও ২৭ মে ভ্রুন ট্রান্সফার করা হয়। পুরো প্রক্রিয়ার শুরু থেকে টেস্ট টিউব বেবীর জন্মদান পর্যন্ত সময় লেগেছে ১৫ মাস। টুইন বেবীর বাবা কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার সুশীল চন্দ্র সরকার জানান, গত ১২ বছর ধরে তাদের সন্তান হচ্ছিল না। তিনি দেশে ও ভারতে গিয়েও ব্যয় ও সময়ের কারনে সফল হন নি। পরে শ্রীমঙ্গল টেস্টটিউব বেবী সেন্টারে এসে সফল হন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

শ্রীমঙ্গল দীপশিখা সেন্টারে টুইন টেস্টটিউব বেবীর জন্ম

প্রকাশিত সময় : ০২:৪৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৩

শ্রীমঙ্গলে সিলেট বিভাগের একমাত্র টেস্টটিউব বেবী সেন্টার দীপশিখা ইনফার্টিলিটি কেয়ার অ্যান্ড কাউন্সিলিং সেন্টারে সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে হিমায়িত ভ্রƒণ থেকে টুইন টেস্টটিউব বেবীর জন্ম হয়েছে। আজ শনিবার দীপশিখা সেন্টারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। জন্ম নেয়া টুইন বেবীদের মধ্যে একটি ছেলে ও অপরটি কন্যা শিশু। বর্তমানে মা ও শিশুদ্ধয় সুস্থ রয়েছেন। টেস্টটিউব বেবীর ছেলে শিশুটির ওজন হয়েছে ১.৭ কেজি ও মেয়ে শিশুটির ওজন হয়েছে ১.৯ কেজি। দীপশিখা কর্তৃপক্ষ এই সেন্টারে চতুর্থ বারের মতো জন্ম নেওয়া টেস্ট টিউব বেবী দুইটির নাম রেখেছেন দীপ্তম ও দীপশ্রী। দীপশিখা সেন্টারের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন অপারেশন থিয়েটারে ডা. নিবাস চন্দ্র পাল এই সিজারিয়ান অপারেশন করেন। দীপশিখা ইনফার্টিলিটি কেয়ার অ্যান্ড কাউন্সিলিং সেন্টারের প্রধান পরামর্শক ডা. নিবাস চন্দ্র পাল, এমবিবিএস, এফসিপিএস (অবস্ এন্ড গাইনী) জানান, ২০২১ সাল থেকে দীপশিখা সেন্টারে টেস্টটিউব বেবী কার্যক্রম শুরু হয়। তিনি ২০১৩ সাল থেকে টেস্টটিউব বেবীর উপর নিজস্ব গবেষণা কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। ২০১৮ সালের ২৫ জুলাই শ্রীমঙ্গলের কলেজ রোডে প্রসূতি, স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় সিলেট বিভাগের প্রথম এবং একমাত্র সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল দীপশিখা ইনফার্টিলিটি কেয়ার অ্যান্ড কাউন্সিলিং সেন্টার গড়ে তোলেন। এরপরই ২০২১ সাল থেকে টেস্ট টিউব বেবী কার্যক্রম শুরু করেন। তিনি জানান, বর্তমানে আরও ১৫ জন বন্ধ্যা নারী টেস্ট টিউব বেবী জন্মদানের অপেক্ষায় রয়েছেন। তিনি জানান, ইক্সি পদ্ধতির মাধ্যমে আইভিএফ (ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) এর মাধ্যমে এ টেস্ট টিউব বেবীর জন্ম হয়। এ কার্যক্রমে ডা. নিবাস চন্দ্র পালকে সহযোগিতা করেন ডা. দীপাঞ্জলী পাল ও ডা. রিপন ভৌমিক। তিনি জানান, গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওই বন্ধ্যা নারীর ডিম্বানু সংগ্রহ ও ২৭ মে ভ্রুন ট্রান্সফার করা হয়। পুরো প্রক্রিয়ার শুরু থেকে টেস্ট টিউব বেবীর জন্মদান পর্যন্ত সময় লেগেছে ১৫ মাস। টুইন বেবীর বাবা কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার সুশীল চন্দ্র সরকার জানান, গত ১২ বছর ধরে তাদের সন্তান হচ্ছিল না। তিনি দেশে ও ভারতে গিয়েও ব্যয় ও সময়ের কারনে সফল হন নি। পরে শ্রীমঙ্গল টেস্টটিউব বেবী সেন্টারে এসে সফল হন।