শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রুমিন ফারহানাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে ভোটের মাঠে কাগজে কলমে না থাকা দলটি। আজ শুক্রবার দুপুরে আশুগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত উপজেলা আওয়ামী লীগের এক মতবিনিময়সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়। নির্বাচন প্রতিহত কিংবা নির্বাচনে বিশৃংখলা সৃষ্টির কোনো অপচেষ্টা করা হলে বিএনপির চক্রান্ত প্রতিহত করার জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকারও আহ্বান জানানো হয়। আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছফিউল্লাহ মিয়া মতবিনিময়সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন, আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নাছের আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। গত ১৫ জানুয়ারি আশুগঞ্জের একটি রেস্তোরাঁয় দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক করে রুমিন ফারহানা বলেন, অনেকের সাথে তার (আব্দুস সাত্তার ভূঞা) ব্যক্তিগত কিংবা পারিবারিক সম্পর্ক থাকতে পারে। কিন্তু ভোটের দিন আমরা কেউ ভোটকেন্দ্রে যাব না। কেউ যেন তার জন্য একটা ভোটও না চাই। দল অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে আছে। যে সাত্তারের জন্য কাজ করবে, তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।’ আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছফিউল্লাহ মিয়া বলেন, ‘সে (রুমিন ফারহানা) তার কিছু কর্মীকে বলেছে নির্বাচন প্রতিহত করার জন্য। সেই প্রেক্ষিতে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন যেন সুষ্ঠু হয়- তার জন্য আমরা যা যা করণীয়, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। যেহেতু নির্বাচনটাকে বানচাল করার চেষ্টা করবে, নির্বাচনে কে কাকে ভোট দেবে- সেটি আমাদের দেখার বিষয় নয়। তবে ভোটটা যেন সুন্দর হয়- সেজন্য আমরা অতন্দ্রপ্রহরী হিসেবে কাজ করব। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিএনপি থেকে পদত্যাগ-পরবর্তী বহিষ্কৃত নেতা আব্দুস সাত্তার ভূইয়াসহ পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে প্রচারণা শুরু করেও সরে দাঁড়ানোয় তিনি শুধু এখন কাগুজে প্রার্থী। আওয়ামী লীগের চার প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রুমিন ফারহানাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

প্রকাশিত সময় : ০৯:২৭:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৩

বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে ভোটের মাঠে কাগজে কলমে না থাকা দলটি। আজ শুক্রবার দুপুরে আশুগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত উপজেলা আওয়ামী লীগের এক মতবিনিময়সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়। নির্বাচন প্রতিহত কিংবা নির্বাচনে বিশৃংখলা সৃষ্টির কোনো অপচেষ্টা করা হলে বিএনপির চক্রান্ত প্রতিহত করার জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকারও আহ্বান জানানো হয়। আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছফিউল্লাহ মিয়া মতবিনিময়সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন, আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নাছের আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। গত ১৫ জানুয়ারি আশুগঞ্জের একটি রেস্তোরাঁয় দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক করে রুমিন ফারহানা বলেন, অনেকের সাথে তার (আব্দুস সাত্তার ভূঞা) ব্যক্তিগত কিংবা পারিবারিক সম্পর্ক থাকতে পারে। কিন্তু ভোটের দিন আমরা কেউ ভোটকেন্দ্রে যাব না। কেউ যেন তার জন্য একটা ভোটও না চাই। দল অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে আছে। যে সাত্তারের জন্য কাজ করবে, তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।’ আশুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছফিউল্লাহ মিয়া বলেন, ‘সে (রুমিন ফারহানা) তার কিছু কর্মীকে বলেছে নির্বাচন প্রতিহত করার জন্য। সেই প্রেক্ষিতে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন যেন সুষ্ঠু হয়- তার জন্য আমরা যা যা করণীয়, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। যেহেতু নির্বাচনটাকে বানচাল করার চেষ্টা করবে, নির্বাচনে কে কাকে ভোট দেবে- সেটি আমাদের দেখার বিষয় নয়। তবে ভোটটা যেন সুন্দর হয়- সেজন্য আমরা অতন্দ্রপ্রহরী হিসেবে কাজ করব। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিএনপি থেকে পদত্যাগ-পরবর্তী বহিষ্কৃত নেতা আব্দুস সাত্তার ভূইয়াসহ পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে প্রচারণা শুরু করেও সরে দাঁড়ানোয় তিনি শুধু এখন কাগুজে প্রার্থী। আওয়ামী লীগের চার প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।