শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী

কক্সবাজার আদালত চত্বর থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ মিথ‌্যা মামলা করায় রুনা আক্তার নামে এ নারীকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। বুধবার (১২ এপ্রিল) কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. মুসলেম উদ্দীন এ রায় দেন। এর আগে গেল ১৬ ফেব্রুয়ারি আদালতের নির্দেশে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত রুনা আক্তার কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ আউলিয়াবাদ এলাকার শফিকুল ইসলামের মেয়ে। মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২২ সালের মার্চে কক্সবাজার আদালত চত্বর থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ করে মামলা করেন রুনা আক্তার। পরে তদন্তে মামলাটি মিথ্যা উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেওয়ায় আদালত সব আসামিকে খালাস দেন। মামলা থেকে খালাস পেয়ে ওই মামলার আসামিদের একজন রাসেল উদ্দিন বাদী হয়ে রুনার বিরুদ্ধে আদালতে পাল্টা মামলা দায়ের করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এপিপি বদিউল আলম বলেন, রুনার করা ধর্ষণ মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিদের খালাস দিয়ে মামলাটি খারিজ করে দেন। কিন্তু তার আগে আসামিরা দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। তাই ক্ষুব্ধ হয়ে আসামিদের একজন রাসেল উদ্দিন হয়রানির অভিযোগে মামলা করলে স্বল্প সময়ের মধ্যে বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে রায় দিয়েছেন আদালত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী

প্রকাশিত সময় : ০৮:০৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩

কক্সবাজার আদালত চত্বর থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ মিথ‌্যা মামলা করায় রুনা আক্তার নামে এ নারীকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। বুধবার (১২ এপ্রিল) কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. মুসলেম উদ্দীন এ রায় দেন। এর আগে গেল ১৬ ফেব্রুয়ারি আদালতের নির্দেশে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত রুনা আক্তার কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ আউলিয়াবাদ এলাকার শফিকুল ইসলামের মেয়ে। মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২২ সালের মার্চে কক্সবাজার আদালত চত্বর থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ করে মামলা করেন রুনা আক্তার। পরে তদন্তে মামলাটি মিথ্যা উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেওয়ায় আদালত সব আসামিকে খালাস দেন। মামলা থেকে খালাস পেয়ে ওই মামলার আসামিদের একজন রাসেল উদ্দিন বাদী হয়ে রুনার বিরুদ্ধে আদালতে পাল্টা মামলা দায়ের করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এপিপি বদিউল আলম বলেন, রুনার করা ধর্ষণ মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিদের খালাস দিয়ে মামলাটি খারিজ করে দেন। কিন্তু তার আগে আসামিরা দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। তাই ক্ষুব্ধ হয়ে আসামিদের একজন রাসেল উদ্দিন হয়রানির অভিযোগে মামলা করলে স্বল্প সময়ের মধ্যে বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে রায় দিয়েছেন আদালত।