শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাবিতে প্রক্সি দিতে এসে গ্রেফতার বিসিএস কর্মকর্তা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অন্যের প্রক্সি পরীক্ষা দিতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন এক বিসিএস নন-ক্যাডার কর্মকর্তা। আজ বুধবার (৩১ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ ও তদন্ত) বিজয় বসাক। প্রক্সি দেওয়ার অভিযোগে গতকাল ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বিভিন্ন শিফট থেকে ৭ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে ছয় জন তাদের নাম পরিচয় প্রকাশ করে দোষ স্বীকার করলেও একজন পরিচয় প্রকাশ করেননি। পরবর্তীতে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তার নাম-পরিচয় বেরিয়ে আসে। বিজয় বসাক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বাদি হয়ে এ পর্যন্ত সাতটি মামলা করেছেন। এরমধ্যে ছয়টি মতিহার এবং একটি চন্দ্রিমা থানায়। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত আটজনকে গ্রেফতার করতে পেরেছি। এরমধ্যে একজন উল্লেখযোগ্য ব্যাক্তি রয়েছেন। তার বাড়ি ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলায়। তিনি তিনি ৩৮ তম বিসিএসের নন-ক্যাডার কর্মকর্তা। বর্তমানে বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।’ উল্লেখ্য, ‘এ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন শিফট থেকে জালিয়াতির অভিযোগে ঢাবি শিক্ষার্থী, রাবি ছাত্রলীগ নেতা শান্তসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নগরীর মতিহার ও চন্দ্রিমা থানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষে মামলাগুলো দায়ের করেন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আবদুস সালাম। তাদের মধ্যে ৯জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাবিতে প্রক্সি দিতে এসে গ্রেফতার বিসিএস কর্মকর্তা

প্রকাশিত সময় : ০৬:১৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ মে ২০২৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অন্যের প্রক্সি পরীক্ষা দিতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন এক বিসিএস নন-ক্যাডার কর্মকর্তা। আজ বুধবার (৩১ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ ও তদন্ত) বিজয় বসাক। প্রক্সি দেওয়ার অভিযোগে গতকাল ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বিভিন্ন শিফট থেকে ৭ জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে ছয় জন তাদের নাম পরিচয় প্রকাশ করে দোষ স্বীকার করলেও একজন পরিচয় প্রকাশ করেননি। পরবর্তীতে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তার নাম-পরিচয় বেরিয়ে আসে। বিজয় বসাক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বাদি হয়ে এ পর্যন্ত সাতটি মামলা করেছেন। এরমধ্যে ছয়টি মতিহার এবং একটি চন্দ্রিমা থানায়। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত আটজনকে গ্রেফতার করতে পেরেছি। এরমধ্যে একজন উল্লেখযোগ্য ব্যাক্তি রয়েছেন। তার বাড়ি ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলায়। তিনি তিনি ৩৮ তম বিসিএসের নন-ক্যাডার কর্মকর্তা। বর্তমানে বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার সহকারী সমাজসেবা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।’ উল্লেখ্য, ‘এ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন শিফট থেকে জালিয়াতির অভিযোগে ঢাবি শিক্ষার্থী, রাবি ছাত্রলীগ নেতা শান্তসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নগরীর মতিহার ও চন্দ্রিমা থানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষে মামলাগুলো দায়ের করেন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আবদুস সালাম। তাদের মধ্যে ৯জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।