শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাউন্সিলর পদে প্রচারে নেমে জামায়াত-আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে দুইজন কাউন্সিলর প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রার্থীসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঘুড়ি প্রতীকের প্রার্থী জামায়াত নেতা অধ্যাপক মো. আব্দুস সামাদ তার সমর্থকদের নিয়ে ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের মেহেরচন্ডী বুধপাড়া মসজিদের কাছে প্রচার-প্রচারণা করছিলেন। এই সময় ওইদিক দিয়ে ঠেলাগাড়ি প্রতীকের প্রার্থী মতিহার থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন তার সমর্থকদের নিয়ে মোটরসাইকেলে করে প্রচার-প্রচারণায় যাচ্ছিলেন।

সেখানে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ঠেলাগাড়ির প্রার্থী আলাউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আব্দুস সামাদ রাস্তা দখল করে দাঁড়িয়েছিল। এ সময় আমরা মোটরসাইকেল নিয়ে ওই রাস্তা দিয়ে যেতে গেলে তারা বাধা দেয়। এমনকি আমাদের উপর অতর্কিতে হামলা চালায়।

আলাউদ্দিনের দাবি, তাদের হামলায় তিনিসহ মিজান, রতন, হাসান, সাহাবুল আহত হয়েছেন। পুলিশের কাছে অভিযোগের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দেবেন বলে জানান আলাউদ্দিন।

কাউন্সিলর প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুস সামাদ দাবি করেন, প্রচারণার খবর পেয়ে আলাউদ্দিন মোটরসাইকেলে করে তার লোকজন নিয়ে গিয়ে ঘুড়ির সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় তাঁর  সমর্থক কুরবান আলী, রাজা এবং রবিসহ অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। তিনিও থানায় এবং নির্বাচন কমিশনে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেছেন।

মতিহার জোনের উপপুলিশ কমিশনার মধুসূদন রায় বলেন, দুজন প্রার্থীর ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছে। তবে দ্রুতই পরিস্থিতি পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করেছে। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

কাউন্সিলর পদে প্রচারে নেমে জামায়াত-আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ

প্রকাশিত সময় : ০৩:১৮:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জুন ২০২৩

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে দুইজন কাউন্সিলর প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রার্থীসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঘুড়ি প্রতীকের প্রার্থী জামায়াত নেতা অধ্যাপক মো. আব্দুস সামাদ তার সমর্থকদের নিয়ে ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের মেহেরচন্ডী বুধপাড়া মসজিদের কাছে প্রচার-প্রচারণা করছিলেন। এই সময় ওইদিক দিয়ে ঠেলাগাড়ি প্রতীকের প্রার্থী মতিহার থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন তার সমর্থকদের নিয়ে মোটরসাইকেলে করে প্রচার-প্রচারণায় যাচ্ছিলেন।

সেখানে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ঠেলাগাড়ির প্রার্থী আলাউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আব্দুস সামাদ রাস্তা দখল করে দাঁড়িয়েছিল। এ সময় আমরা মোটরসাইকেল নিয়ে ওই রাস্তা দিয়ে যেতে গেলে তারা বাধা দেয়। এমনকি আমাদের উপর অতর্কিতে হামলা চালায়।

আলাউদ্দিনের দাবি, তাদের হামলায় তিনিসহ মিজান, রতন, হাসান, সাহাবুল আহত হয়েছেন। পুলিশের কাছে অভিযোগের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দেবেন বলে জানান আলাউদ্দিন।

কাউন্সিলর প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুস সামাদ দাবি করেন, প্রচারণার খবর পেয়ে আলাউদ্দিন মোটরসাইকেলে করে তার লোকজন নিয়ে গিয়ে ঘুড়ির সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় তাঁর  সমর্থক কুরবান আলী, রাজা এবং রবিসহ অন্তত ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছেন। তিনিও থানায় এবং নির্বাচন কমিশনে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেছেন।

মতিহার জোনের উপপুলিশ কমিশনার মধুসূদন রায় বলেন, দুজন প্রার্থীর ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছে। তবে দ্রুতই পরিস্থিতি পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করেছে। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।