বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভাগ্যক্রমে আমরা সেমিফাইনালে আসিনি: কাবরেরা

সবশেষ ২০০৯ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনাল খেলেছিল বাংলাদেশ। এরপর গেল ১৪ বছরে গ্রুপপর্বের গণ্ডি পেরুতে পারেনি লাল সবুজের জার্সিধারীরা। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশকে তত্ত্বাবধান করেছিলেন মোট পাঁচজন কোচ। তার মধ্যে চারজনই ছিলেন বিদেশি। কিন্তু কেউ-ই বাংলাদেশকে গ্রুপপর্বের বৈতরণী পার করাতে পারেননি। অবশেষে স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরার হাত ধরে সেমিফাইনালের টিকিট পেল জামাল-মোরসালিনরা। তবে কোচ জানিয়েছেন এটা ভাগ্যক্রমে হয়নি। এর পেছনে রয়েছে অনেক কঠোর পরিশ্রম ও ত্যাগ। তিনি সবাইকে বাংলাদেশের ফুটবলের পাশে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটা আসলে ভাগ্যক্রমে নয়, এটা পুরো একটা প্রক্রিয়ার ফল। বর্তমানে সেই প্রক্রিয়ার ঠিক মাঝপথে আছি আমরা। এখনো চূড়ান্ত কিছু অর্জন করিনি। অবশ্য এর পেছনে অনেক কাজ আছে, খেলোয়াড়দের কমিটমেন্ট, নিজেদের ওপর খেলোয়াড়দের অগাধ বিশ্বাস, টেকনিক্যাল স্টাফদের কঠোর পরিশ্রমের অবদান আছে।’ তিনি সেমিফাইনালে ওঠার কৃতিত্ব দিয়েছেন সহকারী কোচ হাসান আল মামুনকেও, ‘হাসান আল মামুন লিগের, ফেডারেশন কাপের প্রতিটি ম্যাচ দেখে সে অনুযায়ী প্রতিটি ট্রেনিং সেশনে ছেলেদের স্কাউটিং করিয়েছেন। আমরা যেটা করতে চাই, সেটার সঙ্গে কোন খেলোয়াড় মানানসই, কাকে আমরা চাই, তাদের খুঁজে বের করেছেন। বাকি স্টাফরাও যোগ করেছেন অনেক কিছু। এই কাজগুলোর সমন্বয়ে ১৪ বছর পর সেমিফাইনালে ওঠা সম্ভব হয়েছে।’ পরের ম্যাচ নিয়ে এখনই মন্তব্য করতে চান না এই স্প্যানিশ কোচ। তবে আগাতে চান ধাপে ধাপে, ‘আমাদের ধাপে ধাপে এগোতে হবে, এখন বর্তমান নিয়ে ভাবুন।’ সবাইকে একত্রিত করে বাংলাদেশের ফুটবলকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা গুরুত্বপূর্ণ কিছু অর্জন করেছি দেশের জন্য। আরও বেশি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করা প্রয়োজন। ক্লাবের ম্যাচগুলোতে সমর্থকদের সংশ্লিষ্টতা বাড়ানো প্রয়োজন। জাতীয় দলের চারপাশে যারা আছে তাদেরও একত্রিত করা প্রয়োজন। এগুলো করে চলুন একসঙ্গে এগিয়ে যাই। যখন আমরা এগুলো করতে পারব, সবাই মিলে একই পথে চলতে পারব, আমি নিশ্চিত তখন আরও কিছু অর্জন করতে পারব।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ভাগ্যক্রমে আমরা সেমিফাইনালে আসিনি: কাবরেরা

প্রকাশিত সময় : ০৩:৫৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুন ২০২৩

সবশেষ ২০০৯ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনাল খেলেছিল বাংলাদেশ। এরপর গেল ১৪ বছরে গ্রুপপর্বের গণ্ডি পেরুতে পারেনি লাল সবুজের জার্সিধারীরা। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশকে তত্ত্বাবধান করেছিলেন মোট পাঁচজন কোচ। তার মধ্যে চারজনই ছিলেন বিদেশি। কিন্তু কেউ-ই বাংলাদেশকে গ্রুপপর্বের বৈতরণী পার করাতে পারেননি। অবশেষে স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরার হাত ধরে সেমিফাইনালের টিকিট পেল জামাল-মোরসালিনরা। তবে কোচ জানিয়েছেন এটা ভাগ্যক্রমে হয়নি। এর পেছনে রয়েছে অনেক কঠোর পরিশ্রম ও ত্যাগ। তিনি সবাইকে বাংলাদেশের ফুটবলের পাশে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটা আসলে ভাগ্যক্রমে নয়, এটা পুরো একটা প্রক্রিয়ার ফল। বর্তমানে সেই প্রক্রিয়ার ঠিক মাঝপথে আছি আমরা। এখনো চূড়ান্ত কিছু অর্জন করিনি। অবশ্য এর পেছনে অনেক কাজ আছে, খেলোয়াড়দের কমিটমেন্ট, নিজেদের ওপর খেলোয়াড়দের অগাধ বিশ্বাস, টেকনিক্যাল স্টাফদের কঠোর পরিশ্রমের অবদান আছে।’ তিনি সেমিফাইনালে ওঠার কৃতিত্ব দিয়েছেন সহকারী কোচ হাসান আল মামুনকেও, ‘হাসান আল মামুন লিগের, ফেডারেশন কাপের প্রতিটি ম্যাচ দেখে সে অনুযায়ী প্রতিটি ট্রেনিং সেশনে ছেলেদের স্কাউটিং করিয়েছেন। আমরা যেটা করতে চাই, সেটার সঙ্গে কোন খেলোয়াড় মানানসই, কাকে আমরা চাই, তাদের খুঁজে বের করেছেন। বাকি স্টাফরাও যোগ করেছেন অনেক কিছু। এই কাজগুলোর সমন্বয়ে ১৪ বছর পর সেমিফাইনালে ওঠা সম্ভব হয়েছে।’ পরের ম্যাচ নিয়ে এখনই মন্তব্য করতে চান না এই স্প্যানিশ কোচ। তবে আগাতে চান ধাপে ধাপে, ‘আমাদের ধাপে ধাপে এগোতে হবে, এখন বর্তমান নিয়ে ভাবুন।’ সবাইকে একত্রিত করে বাংলাদেশের ফুটবলকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা গুরুত্বপূর্ণ কিছু অর্জন করেছি দেশের জন্য। আরও বেশি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করা প্রয়োজন। ক্লাবের ম্যাচগুলোতে সমর্থকদের সংশ্লিষ্টতা বাড়ানো প্রয়োজন। জাতীয় দলের চারপাশে যারা আছে তাদেরও একত্রিত করা প্রয়োজন। এগুলো করে চলুন একসঙ্গে এগিয়ে যাই। যখন আমরা এগুলো করতে পারব, সবাই মিলে একই পথে চলতে পারব, আমি নিশ্চিত তখন আরও কিছু অর্জন করতে পারব।’