সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরিজ জিতলেও শেষ ম্যাচে জয় পেতে ব্যর্থ টাইগাররা

টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতলেও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) জয় পেতে ব্যর্থ হলো বাংলাদেশ। এদিন কোন দাপট দেখাতে পারেনি টাইগাররা। কিউইদের দেয়া ১৬১ রানের জবাবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদরা ৮উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান তুলতে সক্ষম হয়। ফলে টান টান উত্তেজনাকর ম্যাচে ২৭ রানে জিতল নিউজিল্যান্ড।

এদিন কিউইদের বিপক্ষে ব্যাট হাতে শুরুটা ভালোই করেছিল টাইগার দুই ওপেনার লিটন দাস ও মোহাম্মদ নাঈম। কিন্তু দলীয় ২৬ রানে আউট হন লিটন। তিনি ১০ রান করে আউট হন এজাজ প্যাটেলের বলে। এরপর ক্রিজে আসেন সৌম্য সরকার। তিনি নিউজিল্যান্ড সিরিজে প্রথম চার ম্যাচ ছিলেন না। কিন্তু সিরিজ নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় আজ শেষ ম্যাচে তাকে সুযোগ দেয়া হয়। কিন্তু সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারেনি সৌম্য। তিনি কোল ম্যাকনচির স্পিনে রাচিন রবীন্দ্রর হাতে ক্যাচ তুলে দেন ৪ রান করে। দলীয় ৩৯ রানে মোহাম্মদ নাঈম ২৩ রান করে আউট।

এরপর মুশফিকুর রহিমও ব্যাট হাতে লড়াই করতে পারেননি। তিনি নবম ওভারের পঞ্চম বলে ৩ রান করে সাজঘরে ফিরেন। এরপর রানের চাকা সচল রাখেন মাহমুদউল্লাহ ও আফিফ। তারা দুজন কিউই বোলারদের পিটিয়ে তুলোধুনো করে জয়ের পথে এগোচ্ছিলেন। কিন্তু দলীয় ১০৯ রানে ছন্দপতন ঘটে।মাহমুদউল্লাহ ২১ বলে ২৩ রান করে সাজঘরে ফিরেন। এরপর শামীম ৫বলে ২রান করে আউট হন। তাসকিন দ্রুত রান তুলতে গিয়ে আউট হন ব্যক্তিগত ৯রানে।

এরপর নিয়মিত উইকেট হারালে আর জয় তুলে নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে আফিফ ৪৯ রান করেন। এদিকে পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে শুক্রবার টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কিউই দলপতি টম লাথাম। ব্যাট হতে শুরুতেই ঝড় তোলেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার ফিন অ্যালেন-রাচিন রবীন্দ্র। তবে পঞ্চম ওভারে দলীয় ৫৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় সফরকারীরা।

শরিফুলের বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ তুলে সাজঘরে ফিরেন রাচিন রবীন্দ্র। তিনি ১২ বলে ১৭ রান করেন। একই ওভারে ফিন অ্যালেনকে বোল্ড আউট করেন শরিফুল। ২৪ বলে ৪১ রান করেন ফিন অ্যালেন।

এরপর দলের হাল ধরার চেষ্টা করেছিলেন টম লাথাম-উইল ইয়ং। কিন্তু আফিফ বেশিদূর এগোতে দেননি। ইয়ংকে দুই অঙ্কের ঘর ছোয়ার আগেই পাঠান সাজঘরে। দলীয় ৭১ রানে আফিফের লেন্থ বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ইয়ং। তার ব্যাট থেকে আসে ৮ বলে ৬ রান। এরপর ক্রিজে আসেন কলিড ডি গ্র্যান্ডহোম। তিনি তাড়াহুড়ো করে খেলতে গিয়ে নাসুম আহমেদের বলে ক্যাচ দেন শামীম হোসেনের হাতে। কলিড ডি গ্র্যান্ডহোম ৮ বলে ৯ রান। এই সিরিজে চতুর্থবার নাসুমের বলে আউট হয়েছেন গ্র্যান্ডহোম।

এরপর ১৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে হেনরি নিকোলসকে ফেরান তাসকিন আহমেদ। ২১ বলে ২১ রান আসে নিকোলসের ব্যাট থেকে। এরপর রানের চাকা সচল রাখেন টম লাথাম। মূলত তার ব্যাটে ভর করেই শতরান তুলতে সক্ষম হয় কিউইরা। সেই সঙ্গে টম লাথাম হাফসেঞ্চুরি করে অপরাজিতা ছিলেন।-ভোরের কাগজ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সিরিজ জিতলেও শেষ ম্যাচে জয় পেতে ব্যর্থ টাইগাররা

প্রকাশিত সময় : ০৮:৩২:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১

টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতলেও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) জয় পেতে ব্যর্থ হলো বাংলাদেশ। এদিন কোন দাপট দেখাতে পারেনি টাইগাররা। কিউইদের দেয়া ১৬১ রানের জবাবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদরা ৮উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান তুলতে সক্ষম হয়। ফলে টান টান উত্তেজনাকর ম্যাচে ২৭ রানে জিতল নিউজিল্যান্ড।

এদিন কিউইদের বিপক্ষে ব্যাট হাতে শুরুটা ভালোই করেছিল টাইগার দুই ওপেনার লিটন দাস ও মোহাম্মদ নাঈম। কিন্তু দলীয় ২৬ রানে আউট হন লিটন। তিনি ১০ রান করে আউট হন এজাজ প্যাটেলের বলে। এরপর ক্রিজে আসেন সৌম্য সরকার। তিনি নিউজিল্যান্ড সিরিজে প্রথম চার ম্যাচ ছিলেন না। কিন্তু সিরিজ নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় আজ শেষ ম্যাচে তাকে সুযোগ দেয়া হয়। কিন্তু সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারেনি সৌম্য। তিনি কোল ম্যাকনচির স্পিনে রাচিন রবীন্দ্রর হাতে ক্যাচ তুলে দেন ৪ রান করে। দলীয় ৩৯ রানে মোহাম্মদ নাঈম ২৩ রান করে আউট।

এরপর মুশফিকুর রহিমও ব্যাট হাতে লড়াই করতে পারেননি। তিনি নবম ওভারের পঞ্চম বলে ৩ রান করে সাজঘরে ফিরেন। এরপর রানের চাকা সচল রাখেন মাহমুদউল্লাহ ও আফিফ। তারা দুজন কিউই বোলারদের পিটিয়ে তুলোধুনো করে জয়ের পথে এগোচ্ছিলেন। কিন্তু দলীয় ১০৯ রানে ছন্দপতন ঘটে।মাহমুদউল্লাহ ২১ বলে ২৩ রান করে সাজঘরে ফিরেন। এরপর শামীম ৫বলে ২রান করে আউট হন। তাসকিন দ্রুত রান তুলতে গিয়ে আউট হন ব্যক্তিগত ৯রানে।

এরপর নিয়মিত উইকেট হারালে আর জয় তুলে নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে আফিফ ৪৯ রান করেন। এদিকে পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে শুক্রবার টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কিউই দলপতি টম লাথাম। ব্যাট হতে শুরুতেই ঝড় তোলেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার ফিন অ্যালেন-রাচিন রবীন্দ্র। তবে পঞ্চম ওভারে দলীয় ৫৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় সফরকারীরা।

শরিফুলের বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ তুলে সাজঘরে ফিরেন রাচিন রবীন্দ্র। তিনি ১২ বলে ১৭ রান করেন। একই ওভারে ফিন অ্যালেনকে বোল্ড আউট করেন শরিফুল। ২৪ বলে ৪১ রান করেন ফিন অ্যালেন।

এরপর দলের হাল ধরার চেষ্টা করেছিলেন টম লাথাম-উইল ইয়ং। কিন্তু আফিফ বেশিদূর এগোতে দেননি। ইয়ংকে দুই অঙ্কের ঘর ছোয়ার আগেই পাঠান সাজঘরে। দলীয় ৭১ রানে আফিফের লেন্থ বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন ইয়ং। তার ব্যাট থেকে আসে ৮ বলে ৬ রান। এরপর ক্রিজে আসেন কলিড ডি গ্র্যান্ডহোম। তিনি তাড়াহুড়ো করে খেলতে গিয়ে নাসুম আহমেদের বলে ক্যাচ দেন শামীম হোসেনের হাতে। কলিড ডি গ্র্যান্ডহোম ৮ বলে ৯ রান। এই সিরিজে চতুর্থবার নাসুমের বলে আউট হয়েছেন গ্র্যান্ডহোম।

এরপর ১৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে হেনরি নিকোলসকে ফেরান তাসকিন আহমেদ। ২১ বলে ২১ রান আসে নিকোলসের ব্যাট থেকে। এরপর রানের চাকা সচল রাখেন টম লাথাম। মূলত তার ব্যাটে ভর করেই শতরান তুলতে সক্ষম হয় কিউইরা। সেই সঙ্গে টম লাথাম হাফসেঞ্চুরি করে অপরাজিতা ছিলেন।-ভোরের কাগজ