বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফ্যানে ঝুলে ববি ছাত্রীর আত্মহত্যা

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রোভানা নামের এক ছাত্রী ফ্যানে ঝুলে তিনদিন আগে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১তম ব্যাচের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী। তার বাসা পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে আনন্দ বাজারে মোল্ল্যা ছাত্রী নিবাসে থাকতেন তিনি সেখানেই এ ঘটনা ঘটেছে। রোভানা তিন দিন আগে আত্মহত্যা করলেও বিষয়টি বুধবার (১৯ জুলাই) রাত ৯টার দিকে জানা গেছে। তিনি ছাত্রী নিবাসের চতুর্থ তলার একটি কক্ষে একা থাকতেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাশ বীভৎস আকার ধারণ করেছে। মনে হচ্ছে তিন চার দিন আগে মারা গেছে। জানা যায়, গত ১৬ জুলাই ওই শিক্ষার্থীর পরীক্ষা ছিল। ওই দিনই পরিবারের সঙ্গে তার শেষ কথা হয়৷ এরপর পরিবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে মেসে আসে। এসে দরজা আটকানো দেখে। পরে দরজা খুলে ফ্যানের সঙ্গে তাকে ঝুলতে দেখা যায়৷ শিক্ষার্থীর মায়ের ভাষ্যমতে, ওই শিক্ষার্থী মানসিকভাবে কিছুটা বিকারগ্রস্ত ছিলেন। এবং একা থাকতেই পছন্দ করতেন। বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ এ আর মুকুল পিআরএম বলেন, খবর পেয়ে আমরা এখানে এসেছি। এখানে তার মা, ভাই ও চাচা আছেন প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটা আত্মহত্যা। তবে বিধি মোতাবেক আমরা বিষয়টি তদন্ত করবো। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড মো খোরশেদ আলম বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে এসেছি। জানতে পেরেছি, সে তার কক্ষে একা থাকতো। তাই আশেপাশে আমাদের অনেক শিক্ষার্থী থাকার পরও বিষয়টি অনুমান করা যায়নি। পুলিশ প্রশাসন এসেছেন আমরা বিষয়টি বিধিমোতাবেক এগিয়ে নিয়ে যাব। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটা আত্মহত্যা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ফ্যানে ঝুলে ববি ছাত্রীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত সময় : ১০:১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রোভানা নামের এক ছাত্রী ফ্যানে ঝুলে তিনদিন আগে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১তম ব্যাচের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী। তার বাসা পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে আনন্দ বাজারে মোল্ল্যা ছাত্রী নিবাসে থাকতেন তিনি সেখানেই এ ঘটনা ঘটেছে। রোভানা তিন দিন আগে আত্মহত্যা করলেও বিষয়টি বুধবার (১৯ জুলাই) রাত ৯টার দিকে জানা গেছে। তিনি ছাত্রী নিবাসের চতুর্থ তলার একটি কক্ষে একা থাকতেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাশ বীভৎস আকার ধারণ করেছে। মনে হচ্ছে তিন চার দিন আগে মারা গেছে। জানা যায়, গত ১৬ জুলাই ওই শিক্ষার্থীর পরীক্ষা ছিল। ওই দিনই পরিবারের সঙ্গে তার শেষ কথা হয়৷ এরপর পরিবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে মেসে আসে। এসে দরজা আটকানো দেখে। পরে দরজা খুলে ফ্যানের সঙ্গে তাকে ঝুলতে দেখা যায়৷ শিক্ষার্থীর মায়ের ভাষ্যমতে, ওই শিক্ষার্থী মানসিকভাবে কিছুটা বিকারগ্রস্ত ছিলেন। এবং একা থাকতেই পছন্দ করতেন। বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ এ আর মুকুল পিআরএম বলেন, খবর পেয়ে আমরা এখানে এসেছি। এখানে তার মা, ভাই ও চাচা আছেন প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটা আত্মহত্যা। তবে বিধি মোতাবেক আমরা বিষয়টি তদন্ত করবো। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড মো খোরশেদ আলম বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে এসেছি। জানতে পেরেছি, সে তার কক্ষে একা থাকতো। তাই আশেপাশে আমাদের অনেক শিক্ষার্থী থাকার পরও বিষয়টি অনুমান করা যায়নি। পুলিশ প্রশাসন এসেছেন আমরা বিষয়টি বিধিমোতাবেক এগিয়ে নিয়ে যাব। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটা আত্মহত্যা।