বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গলায় ওড়না পেঁচিয়ে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা হত্যা

রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার কুমারপাড়া ঘোষপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো ও মুখ বাঁধা অবস্থায় মায়া রাণী ঘোষ নামে অবসরপ্রাপ্ত এক শিক্ষিকার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই নারী বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির তদন্ত দল সুরতহার রিপোর্ট তৈরী ও ময়নাতদন্ত শেষে ভাই দেবাশীষকে মঙ্গলবার সন্ধায় মৃত মায়া রাণী ঘোষের লাশ হস্তান্তর করা হয়। মায়া রাণী ঘোষ সর্বশেষ মুন্নুজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। সেখান থেকে তিনি ২০১০ সালে অবসরে যান।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে একই এলাকায় বসবাস করা পালিত মেয়ে পুতুল রাণী মায়ের খোঁজ নিতে এসে দেখেন গলায় ওড়না পেঁচানো ও মুখ বাঁধা অবস্থায় নিথর দেহ পড়ে আছে। পরে তার চিৎকারে প্রতিবেশিরা ছুটে আসেন। পরে পুলিশ ও সিআইডি ঘটনা তদন্তে মাঠে নামে।

বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মন বলেন, ঘরের মেঝেতে তার লাশ পাওয়া গেছে। তার স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন পাওয়া যায়নি। এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করে এসব নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ওসি আরও বলেন সকাল ১০টার দিকে ঘোষ তার বাড়িতে দুধ দিয়ে আসে। এর পর পরই ভাড়া নেয়ার জন্য দুইজন লোক ওই বাড়িতে এসেছিল বলে ওই ঘোষ পুলিশকে জানিয়েছে। নিহত নারীর পালিত মেয়ে, তার স্বামী ও ওই ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

গলায় ওড়না পেঁচিয়ে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা হত্যা

প্রকাশিত সময় : ১০:২৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার কুমারপাড়া ঘোষপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো ও মুখ বাঁধা অবস্থায় মায়া রাণী ঘোষ নামে অবসরপ্রাপ্ত এক শিক্ষিকার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই নারী বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির তদন্ত দল সুরতহার রিপোর্ট তৈরী ও ময়নাতদন্ত শেষে ভাই দেবাশীষকে মঙ্গলবার সন্ধায় মৃত মায়া রাণী ঘোষের লাশ হস্তান্তর করা হয়। মায়া রাণী ঘোষ সর্বশেষ মুন্নুজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। সেখান থেকে তিনি ২০১০ সালে অবসরে যান।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে একই এলাকায় বসবাস করা পালিত মেয়ে পুতুল রাণী মায়ের খোঁজ নিতে এসে দেখেন গলায় ওড়না পেঁচানো ও মুখ বাঁধা অবস্থায় নিথর দেহ পড়ে আছে। পরে তার চিৎকারে প্রতিবেশিরা ছুটে আসেন। পরে পুলিশ ও সিআইডি ঘটনা তদন্তে মাঠে নামে।

বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মন বলেন, ঘরের মেঝেতে তার লাশ পাওয়া গেছে। তার স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন পাওয়া যায়নি। এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করে এসব নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ওসি আরও বলেন সকাল ১০টার দিকে ঘোষ তার বাড়িতে দুধ দিয়ে আসে। এর পর পরই ভাড়া নেয়ার জন্য দুইজন লোক ওই বাড়িতে এসেছিল বলে ওই ঘোষ পুলিশকে জানিয়েছে। নিহত নারীর পালিত মেয়ে, তার স্বামী ও ওই ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।