বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বশেমুরবিপ্রবিতে যশোর মুক্ত দিবস পালিত

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) কেক কেটে ও ফানুস উড়িয়ে ঐতিহাসিক যশোর মুক্ত দিবস পালন করেছে বশেমুরবিপ্রবি কপোতাক্ষ ছাত্র কল্যাণ সমিতি। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৫:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দিনটি উৎযাপন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যশোর জেলার শিক্ষার্থীরা। ১৯৭১ সালের ৩, ৪ ও ৫ ডিসেম্বর যশোরের বিভিন্ন এলাকায় হানাদার বাহিনীর সঙ্গে প্রচণ্ড যুদ্ধ হয় মুক্তিযোদ্ধাদের। মিত্রবাহিনীও এ সময় সীমান্ত এলাকা থেকে যশোর সেনানিবাস এবং পাকিস্তানি হানাদারদের বিভিন্ন স্থাপনায় গোলা নিক্ষেপ ও বিমান হামলা চালায়। একপর্যায়ে পাকিস্তানি বাহিনী ৫ ডিসেম্বর থেকে যশোর সেনানিবাস ছেড়ে খুলনা সেনানিবাসের দিকে পালিয়ে যেতে থাকে। ৬ ডিসেম্বর বিকালের মধ্যেই যশোর সেনানিবাস খালি করে পালিয়ে যায় পাকিস্থানি বাহিনী।

এদিন বিকালে মিত্রবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল বারাতের নেতৃত্বে মিত্র ও মুক্তিবাহিনী যশোর সেনানিবাস দখলে নেয়। যশোর ক্যান্টনমেন্ট ছেড়ে হানাদারদের পালিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে মুক্তির আনন্দে উল্লাসিত হয়ে যশোরের মানুষ নেমে পড়ে রাজপথে। সেই আনন্দঘন দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই তাদের এই আয়োজন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বশেমুরবিপ্রবিতে যশোর মুক্ত দিবস পালিত

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৩

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) কেক কেটে ও ফানুস উড়িয়ে ঐতিহাসিক যশোর মুক্ত দিবস পালন করেছে বশেমুরবিপ্রবি কপোতাক্ষ ছাত্র কল্যাণ সমিতি। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৫:৩০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দিনটি উৎযাপন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যশোর জেলার শিক্ষার্থীরা। ১৯৭১ সালের ৩, ৪ ও ৫ ডিসেম্বর যশোরের বিভিন্ন এলাকায় হানাদার বাহিনীর সঙ্গে প্রচণ্ড যুদ্ধ হয় মুক্তিযোদ্ধাদের। মিত্রবাহিনীও এ সময় সীমান্ত এলাকা থেকে যশোর সেনানিবাস এবং পাকিস্তানি হানাদারদের বিভিন্ন স্থাপনায় গোলা নিক্ষেপ ও বিমান হামলা চালায়। একপর্যায়ে পাকিস্তানি বাহিনী ৫ ডিসেম্বর থেকে যশোর সেনানিবাস ছেড়ে খুলনা সেনানিবাসের দিকে পালিয়ে যেতে থাকে। ৬ ডিসেম্বর বিকালের মধ্যেই যশোর সেনানিবাস খালি করে পালিয়ে যায় পাকিস্থানি বাহিনী।

এদিন বিকালে মিত্রবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল বারাতের নেতৃত্বে মিত্র ও মুক্তিবাহিনী যশোর সেনানিবাস দখলে নেয়। যশোর ক্যান্টনমেন্ট ছেড়ে হানাদারদের পালিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে মুক্তির আনন্দে উল্লাসিত হয়ে যশোরের মানুষ নেমে পড়ে রাজপথে। সেই আনন্দঘন দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই তাদের এই আয়োজন।