বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে গ্রেভ বলেন, ‘আইসিসি যদি শক্তিশালী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলই চায়, তাহলে আমাদের কথা ভাবত। আইসিসি শুধু কাগজে–কলমেই আমাদের বেশি টাকা দিচ্ছে। কিন্তু আমাদের অর্থপ্রদানের হার কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। গত চক্রেও আমরা ৭ শতাংশ করে পেতাম, এখন সেটা ৫ শতাংশে নেমে এসেছে।’
গত বছরের মাঝামাঝি ক্রিকইনফো এক প্রতিবেদনে বলেছিল, ২০২৪–২৭ চক্রে মোট ৬০ কোটি মার্কিন ডলার সম্ভাব্য ব্যয়ের হিসাব করেছে আইসিসি। এর মধ্যে ২৩ কোটি ১০ লাখ বা ৩৮.৫ শতাংশই পাবে ভারত। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬.৮৯ শতাংশ পাবে ইংল্যান্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভাগে পড়েছে মাত্র ৪.৫৮ শতাংশ।
বিশ্বের অন্য ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর কেউই ১০ শতাংশ অর্থও পাবে না। বাংলাদেশ পাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও কম ৪.৪৬ শতাংশ। ক্যারিবীয় ক্রিকেটের প্রাচুর্যতা ফেরাতে এই অর্থের পরিমাণ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান নির্বাহী।
ক্রিকেটকে এগিয়ে নেয়ার স্বার্থে সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি সবাই শুধু নিজেদের দিকেই তাকাই, তাহলে কি এটা বলা যায় যে আমরা একটা কমিউনিটি হিসেবে কাজ করছি? আমরা কি মাঠে সেরা পণ্যটিই পাঠাচ্ছি?

দৈনিক দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 

























