মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

“স্বর্ণ পদক পুরস্কার” অর্জন করলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক কেশব চন্দ্র বিশ্বাস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ হতে বিএসএস (সম্মান) পরীক্ষা-২০১৮- এ প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করায় শহীদ জিয়াউর রহমান হল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেশব চন্দ্র বিশ্বাস (প্রভাষক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়)-কে “স্বর্ণ পদক পুরস্কার -২০২৪” প্রদান করে।

সোমবার (১১ মার্চ) জিয়াউর রহমান হলের মুক্তমঞ্চে বিকেল ৫টায় কৃতি শিক্ষার্থী ও গুণীজন শিক্ষকদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার ও রাজশাহী-৪ (বাঘমারা) আসনের সংসদ সদস্য ও অত্র হলের সাবেক শিক্ষার্থী অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ।
শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. সুজন সেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. সুলতান-উল-ইসলাম।
বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.
সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, “আমরা আজ গর্ব করে বলতে পারি, এই হলের একজন সাবেক শিক্ষার্থী আজ সংসদ সদস্য। শহীদ জিয়াউর রহমান হলের শিক্ষার্থীরা আজ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। আমরা আশা করি, তারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দিবেন। আমাদের আচরণের মাধ্যমে সবাই যেন বুঝতে পারে, আমরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী”।
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীরা এ হলে থাকতেন। আমি এ হলের প্রথম ব্লকের ৪১৬ নম্বর রুমে থেকেছি। আমি হলে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষ থেকেই ছাত্রলীগ করে এসেছি। আমি সেই সময়ে এ হলে নেতা ছিলাম। আমি কোনো দিন এ হলের ক্যান্টিন, ডাইনিংয়ে বাকি খাইনি, বরং আমি বাড়ি থেকে ধান বিক্রি করার টাকা দিয়ে ছাত্রলীগ করেছি। আমি সোনার হরিণ নৌকা মার্কা নিয়ে এ হল থেকে সর্বপ্রথম সংসদ সদস্য হয়েছি”।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, “আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন সাবেক শিক্ষার্থী বর্তমানে সংসদ সদস্য। তারা সকলেই আমাদের গর্ব। আমি আশা করি তাদের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয় অনেকদূর এগিয়ে যাবে। যারা হলে থেকে পড়াশোনা করেননি, তারা জীবনে অনেককিছু মিস করেছেন। আমাদের আগামী ভবিষ্যত আমাদের থেকেও এগিয়ে যাবে। আমাদের শিক্ষার্থীরা আমাদেরকেও ছাড়িয়ে গেছে, এটাই আমাদের অর্জন”।
এসময় উপস্থিত ছিলেন শহীদ জিয়াউর হলের আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, হল প্রাধ্যক্ষবৃন্দ ও হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।
এর আগে, হলের উন্মুক্ত মঞ্চ উদ্বোধন এবং হলের প্রাক্তনীদের ক্যাম্পাসে এসে থাকার জন্য হলের অফিস ব্লকে ওয়াশরুমসহ পাঁচ আসনের একটি অতিথি কক্ষের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

“স্বর্ণ পদক পুরস্কার” অর্জন করলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক কেশব চন্দ্র বিশ্বাস

প্রকাশিত সময় : ০৭:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ হতে বিএসএস (সম্মান) পরীক্ষা-২০১৮- এ প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করায় শহীদ জিয়াউর রহমান হল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেশব চন্দ্র বিশ্বাস (প্রভাষক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়)-কে “স্বর্ণ পদক পুরস্কার -২০২৪” প্রদান করে।

সোমবার (১১ মার্চ) জিয়াউর রহমান হলের মুক্তমঞ্চে বিকেল ৫টায় কৃতি শিক্ষার্থী ও গুণীজন শিক্ষকদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার ও রাজশাহী-৪ (বাঘমারা) আসনের সংসদ সদস্য ও অত্র হলের সাবেক শিক্ষার্থী অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ।
শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. সুজন সেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. সুলতান-উল-ইসলাম।
বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.
সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, “আমরা আজ গর্ব করে বলতে পারি, এই হলের একজন সাবেক শিক্ষার্থী আজ সংসদ সদস্য। শহীদ জিয়াউর রহমান হলের শিক্ষার্থীরা আজ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। আমরা আশা করি, তারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দিবেন। আমাদের আচরণের মাধ্যমে সবাই যেন বুঝতে পারে, আমরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী”।
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, “রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীরা এ হলে থাকতেন। আমি এ হলের প্রথম ব্লকের ৪১৬ নম্বর রুমে থেকেছি। আমি হলে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষ থেকেই ছাত্রলীগ করে এসেছি। আমি সেই সময়ে এ হলে নেতা ছিলাম। আমি কোনো দিন এ হলের ক্যান্টিন, ডাইনিংয়ে বাকি খাইনি, বরং আমি বাড়ি থেকে ধান বিক্রি করার টাকা দিয়ে ছাত্রলীগ করেছি। আমি সোনার হরিণ নৌকা মার্কা নিয়ে এ হল থেকে সর্বপ্রথম সংসদ সদস্য হয়েছি”।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, “আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ জন সাবেক শিক্ষার্থী বর্তমানে সংসদ সদস্য। তারা সকলেই আমাদের গর্ব। আমি আশা করি তাদের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয় অনেকদূর এগিয়ে যাবে। যারা হলে থেকে পড়াশোনা করেননি, তারা জীবনে অনেককিছু মিস করেছেন। আমাদের আগামী ভবিষ্যত আমাদের থেকেও এগিয়ে যাবে। আমাদের শিক্ষার্থীরা আমাদেরকেও ছাড়িয়ে গেছে, এটাই আমাদের অর্জন”।
এসময় উপস্থিত ছিলেন শহীদ জিয়াউর হলের আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, হল প্রাধ্যক্ষবৃন্দ ও হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।
এর আগে, হলের উন্মুক্ত মঞ্চ উদ্বোধন এবং হলের প্রাক্তনীদের ক্যাম্পাসে এসে থাকার জন্য হলের অফিস ব্লকে ওয়াশরুমসহ পাঁচ আসনের একটি অতিথি কক্ষের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার।