রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন করে বিএনপিকে সাজানো হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধায়নে নতুন করে দলকে সাজানো হচ্ছে, নতুন কমিটি গঠন করা হচ্ছে, এতে করে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সে জন্য আবার তাদের (সরকার) হৃৎকম্প উপস্থিত হয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ঢাকা দক্ষিণ মহানগর বিএনপির করোনা ও ডেঙ্গু হেল্প সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, কর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সৃষ্টি হয়েছে। আর সেজন্যই এখন তারা (সরকার) ভয় পেয়েছে, কাঁপছে। তারা বিএনপির ওপর চড়াও হয়ে আক্রমণ করছে। ঘরে ঘরে গিয়ে পুলিশি আক্রমণ চলছে, হয়রানি করছে, তল্লাশি চলছে। কেন হচ্ছে, কারণ কি? কারণ, বিএনপি জেগে উঠছে।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাস্তায় নেমে স্লোগান দিতে হবে জোরে জোরে। তাহলেই হবে কাজ। সেটার জন্য প্রস্তুতি নাও। সময় এসেছে উঠে দাঁড়ানোর। সময় এসেছে সরকারকে পরিষ্কার করে বলে দেওয়ার যে তোমাকে আমরা আর চাই না। এখন বিদায় নিতে হবে এবং নির্বাচন দিয়ে দিতে হবে।
সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীন নির্বাচন দিন। অন্যথায় পালানোর পথ খুঁজে পাবেন না।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, এই মুহূর্তে দরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না। সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন করবেন, আমরা তা মানি না। এই সরকারকে রেখে কোনো নির্বাচন করা যাবে না। সুতরাং জনগণের দাবি মেনে নিয়ে পদত্যাগ করুন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন নির্বাচন দিন, নিজেদের ভালো রাখুন। নইলে দেশে যে এক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, তার দায়দায়িত্ব আপনারা বহন করবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

নতুন করে বিএনপিকে সাজানো হচ্ছে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত সময় : ১০:২৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধায়নে নতুন করে দলকে সাজানো হচ্ছে, নতুন কমিটি গঠন করা হচ্ছে, এতে করে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সে জন্য আবার তাদের (সরকার) হৃৎকম্প উপস্থিত হয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে ঢাকা দক্ষিণ মহানগর বিএনপির করোনা ও ডেঙ্গু হেল্প সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, কর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সৃষ্টি হয়েছে। আর সেজন্যই এখন তারা (সরকার) ভয় পেয়েছে, কাঁপছে। তারা বিএনপির ওপর চড়াও হয়ে আক্রমণ করছে। ঘরে ঘরে গিয়ে পুলিশি আক্রমণ চলছে, হয়রানি করছে, তল্লাশি চলছে। কেন হচ্ছে, কারণ কি? কারণ, বিএনপি জেগে উঠছে।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাস্তায় নেমে স্লোগান দিতে হবে জোরে জোরে। তাহলেই হবে কাজ। সেটার জন্য প্রস্তুতি নাও। সময় এসেছে উঠে দাঁড়ানোর। সময় এসেছে সরকারকে পরিষ্কার করে বলে দেওয়ার যে তোমাকে আমরা আর চাই না। এখন বিদায় নিতে হবে এবং নির্বাচন দিয়ে দিতে হবে।
সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীন নির্বাচন দিন। অন্যথায় পালানোর পথ খুঁজে পাবেন না।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, এই মুহূর্তে দরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না। সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন করবেন, আমরা তা মানি না। এই সরকারকে রেখে কোনো নির্বাচন করা যাবে না। সুতরাং জনগণের দাবি মেনে নিয়ে পদত্যাগ করুন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন নির্বাচন দিন, নিজেদের ভালো রাখুন। নইলে দেশে যে এক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, তার দায়দায়িত্ব আপনারা বহন করবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম।