সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কাকে ২৮০ রানে অলআউট করা বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামে ১৮৮ রানে। ৯২ রানে এগিয়ে থাকা লঙ্কানদের দ্বিতীয় ইনিংসের ৫ উইকেট তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু ১১৯ রান তুলে দ্বিতীয় দিন শেষে ২১১তে এগিয়ে আছে অতিথিরা।
তৃতীয় দিন সকালে আবার ব্যাটিং শুরু করবেন অধিনায়ক ধনঞ্জয়া ডি সিলভা (২৩*) ও নাইটওয়াচ ম্যান বিশ্ব ফার্নান্দো (২*)।
লাঞ্চের পর ১৫.৩ ওভারে ৫৬ রান যোগ করতে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮৮ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। এরপর দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে বিনা উইকেটেই চা বিরতিতে চলেই গিয়েছিল প্রায় অতিথিরা। বিরতির ঠিক আগে আক্রমণে এসেই উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন অভিষিক্ত নাহিদ রানা। অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারি রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলার চেষ্টায় ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে উইকেটকিপার লিটন দাসকে ক্যাচ দেন মাদুশকা। ২০ বলে ১০ রান করে ফেরেন এই ওপেনার।
বিরতির পর গতি ও বাউন্সের মিশেলে দিমুথ করুনারাত্নে ও কুশারল মেন্ডিসকে অস্বস্তিতে রেখেছিলেন নাহিদ রানা। উইকেট পেতেও সময় লাগেনি তার। নাহিদের লেগ স্টাম্পের ওপর করা বাউন্সার পুল করতে গিয়েও শেষ মুহূর্তে ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবেন কুশাল। কিন্তু সময়মতো ব্যাট নামাতে পারেননি। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল চলে যায় লিটন কুমার দাসের গ্লাভসে।
শ্রীলঙ্কার ইনিংসে প্রথম আঘাত হানেন অভিষিক্ত নাহিদ রানা
টানা ১৭ ওভার পেসার ব্যবহার করার পর স্পিনার আনেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। চতুর্থ বলেই সুযোগ তৈরি করেছিলেন তাইজুল ইসলাম। তবে মিড অনে লাফিয়েও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের সে ক্যাচ নিতে পারেননি বদলী ফিল্ডার নাঈম হাসান। তবে পরের বলে আর বাঁচতে পারেননি শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। অফ স্টাম্পের বাইরে টার্ন ও বাউন্স করা ডেলিভারিতে কট বিহাইন্ড হলেন ম্যাথিউস। দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় ক্যাচ নেন লিটন দাস। ২৪ বলে ২২ রান করে ফেরেন প্রথম ইনিংসে শূণ্যতে রানআউট হওয়া ম্যাথিউস।
নতুন ব্যাটসম্যান দিনেশ চান্দিলমাকেও বেশিক্ষণ টিকতে দেয়নি বাংলাদেশ। আক্রমণে এসে প্রথম বলেই সাফল্য পান মেহেদী হাসান মিরাজ। তার অফ স্পিনে অন সাইডে খেলার চেষ্টায় ব্যাটে লাগাতে পারেননি চান্দিমাল। বল প্যাডে লাগতেই জোরাল আবেদন। তবে সাড়া দেননি আম্পায়ার। রিপ্লেতে রিপ্লেতে দেখা যায়, লেগ স্টাম্পে আঘাত করত বল। ফলে রানের খাতা খোলার আগেই বিদায়ঘণ্টা বাজে চান্দিমালের।
১৯.১ ওভারে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ৬৪/৪। গোছানো ব্যাটিংয়ে ধীরে ধীরে দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন দিমুথ করুনারাত্নে। তবে সাবেক অধিনায়ক পঞ্চাশ ছুঁতেই তাকে ফেরান শরিফুল ইসলাম। শরীর বরাবর আসা বাউন্সার পুল করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি কারুনারাত্নে। ৭ চার ও ১ ছক্কায় ১০১ বলে ৫২ রান করে ফিরেছেন তিনি। তার বিদায়ের পর নাইটওয়াচম্যান বিশ্ব ফার্নান্দোকে নিয়ে বাকি সময় কাটিয়ে দেন অধিনায়ক ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। ৩৪ বলে ১৯ রান নিয়ে অপরাজিত প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান।

রিপোর্টারের নাম 

























