বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তানোর উপজেলা আ’লীগের বর্ধিত সভায় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ

রাজশাহীর তানোর উপজেলার ৭ নম্বর ইউনিয়নে প্রার্থী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, চেয়ার ছোড়াছুড়ি এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দুই শতাধিক প্লাস্টিকের চেয়ার ভাঙা হয়েছে।

শুক্রবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৮-১০ জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

আহতরা হলেন-উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক পাপুল সরকার, পৌর যুবলীগ সভাপতি রাজিব সরকার, আওয়ামী লীগ কর্মী হিরোসহ আরও ছয়জন।

দলীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে দুপুরের পর থেকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে লোকজনের সমাগম হতে থাকে। তবে সভায় এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার সমর্থকরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনের অনুসারীদের প্রবেশে বাধা দেন। এতে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে তারা চেয়ার ছোড়াছুড়ি করতে থাকেন। এতে প্রায় দুই শতাধিক চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পংঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ ও তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানসহ বিপুলসংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিতি হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেন। পরে সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে বর্ধিত সভার কার্যক্রম শুরু হয়।

তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান বলেন, বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের মধ্যে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে এমপি হলরুমে সভা পরিচালনা করছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক

তানোর উপজেলা আ’লীগের বর্ধিত সভায় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ

প্রকাশিত সময় : ০৯:১৩:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অক্টোবর ২০২১

রাজশাহীর তানোর উপজেলার ৭ নম্বর ইউনিয়নে প্রার্থী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, চেয়ার ছোড়াছুড়ি এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় দুই শতাধিক প্লাস্টিকের চেয়ার ভাঙা হয়েছে।

শুক্রবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৮-১০ জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

আহতরা হলেন-উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক পাপুল সরকার, পৌর যুবলীগ সভাপতি রাজিব সরকার, আওয়ামী লীগ কর্মী হিরোসহ আরও ছয়জন।

দলীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে দুপুরের পর থেকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে লোকজনের সমাগম হতে থাকে। তবে সভায় এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার সমর্থকরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনের অনুসারীদের প্রবেশে বাধা দেন। এতে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে তারা চেয়ার ছোড়াছুড়ি করতে থাকেন। এতে প্রায় দুই শতাধিক চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পংঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ ও তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানসহ বিপুলসংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিতি হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেন। পরে সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে বর্ধিত সভার কার্যক্রম শুরু হয়।

তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান বলেন, বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের মধ্যে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে এমপি হলরুমে সভা পরিচালনা করছেন।