বগুড়া শহরের জুবিলী ইন্সটিটিউশনের দু’টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগে দুই প্রিজাইডিং অফিসারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (২৯ মে) দুপুরের দিকে বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম ওই দু’টি কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
প্রত্যাহার হওয়া প্রিজাইডিং অফিসাররা হলেন, বগুড়া জুবিলী ইন্সটিটিউশনের পূর্ব ভবনের প্রিজাইডিং অফিসার মতিউর রহমান, তিনি নামুজা ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক এবং একই প্রতিষ্ঠানের পশ্চিম ভবনের প্রিজাইডিং অফিসার মো. আবু সালেহ, তিনি নিশিন্দারা ফকির উদ্দিন স্কুল ও কলেজের প্রভাষক।
বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, দুপুর দেড়টার টার দিকে তিনি এবং পুলিশ সুপারসহ সরকারি অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তাসহ জুবিলী ইন্সটিটিউশন কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি ওই দুটি কেন্দ্রের বুথগুলোতে নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে যারা দায়িত্ব পালন করছেন তারা সকলেই একজন নির্দিষ্ট প্রার্থীর এজেন্ট। আর তাদের সবার পরিচিতিপত্রে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরও রয়েছে।
তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি বুথে একজন প্রার্থীর একজন করে এজেন্ট থাকবেন। কিন্তু ওই কেন্দ্রের বুথগুলোতে তা মানা হয়নি। তাছাড়া অভিযুক্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো স্বীকারও করেছেন। এজন্য তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি একজন করে এজেন্ট রেখে অন্যদের বুথ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যাহার হওয়া জুবিলী ইন্সটিটিউশনের পূর্ব ভবনের প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বপালনকারী আবু সালেহ বলেন, একটি বুথে আনারস প্রার্থীর দুজন এজেন্ট ছিলেন। এজন্য আমাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। জুবিলী ইন্সটিটিউশনের পশ্চিম ভবনের প্রিসাইডিং কর্মর্কার দায়িত্বপালনকারী মো. মতিউর রহমানও একই কথা বলেন।
এদিকে জেলা প্রশাসক জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম আরও বলেন, অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের কোন বিশেষ উদ্দেশ্য ছিল কিনা সেটা তদন্তের মাধ্যমে সেটা খতিয়ে দেখা হবে। যদি প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে তারা যে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সেই প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হবে।

দৈনিক দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 






















