সবশেষ দুই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন বিরাট কোহলি। তবে এবারের টুর্নামেন্টে চেনা যাচ্ছিল না এই ব্যাটারকে। শুরু থেকেই রান পাচ্ছিলেন না তিনি। তবে ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে তার ব্যাটেই বিপদ কাটানোর চেষ্টা করছে ভারত।
বার্বাডোজের কেনসিংটন ওভালে আজ টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নেন ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তবে আগের ম্যাচগুলোতে রানের ফুলঝুরি ছোটালেও ফাইনালে ব্যর্থ রোহিত। রান পাননি তিনে নামা ঋশাভ পান্ত ও চারে নামা সূর্যকুমার যাদবও। ৩৪ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে ভারত।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১০ ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ৭৫ রানে ব্যাট করছে ভারত। উইকেটে কোহলির (২৮ বলে ৩৪) সঙ্গে আছেন ভারতের সেমিফাইনাল জয়ের নায়ক অক্ষর প্যাটেল (২০ বলে ২৬)।
ক্রিকেটে এতদিন ‘চোকার্স’ তকমা জুটেছে দক্ষিণ আফ্রিকার কপালে। দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ভালো করলেও আইসিসি টুর্নামেন্টে দলটি সাফল্যের জন্য হাপিত্যেশ করে। ওয়ানডে ক্রিকেটে অনেকবার সেমিফাইনাল খেললেও একটিকেও ফাইনাল পর্যন্ত নিতে পারেনি তারা। এতদিন টি-টোয়েন্টিতেও একই অবস্থা ছিল দলটির। তবে এবার এইডেন মার্করামের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দলটি। প্রথমবারের মতো আইসিসিরি কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে তারা।
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন আইসিসির কোনো ট্রফি জিততে পারছে না ভারত। বিশ্বকাপ হলে যোগ হবে আরও ২ বছর। সবশেষ ২০১১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছিল দলটি। এরপর ২০১৩ সালে জিতেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। এরপর ১১ বছরে তিনটি ফাইনাল খেললেও আর শিরোপার মুখ দেখা হয়নি। তাই শিরোপা জিততে মরিয়া ২০০৭ সালের উদ্বোধনী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ীরাও।
টি-টোয়েন্টিতে এর আগে ২৬ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এর মধ্যে জয়ের দিক দিয়ে কিছুটা এগিয়ে ভারত। ‘মেন ইন ব্লু’দের ১৪ জয়ের বিপরীতে প্রোটিয়ারা জয় পেয়েছে ১১ ম্যাচে। একটি ম্যাচে কোনো ফল আসেনি।

দৈনিক দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
























