সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞান অন্বেষণে প্রতিবন্ধকতা অপসারণ বিষয়ক সেমিনার

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে বিকাল ৩ টায় সেন্টার ফর ইন্টারডিসিপ্লিনারি রিসার্চ (সিআইআর) কর্তৃক আয়োজিত জ্ঞান অন্বেষণে প্রতিবন্ধকতা অপসারণ বিষয়ক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারের মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশ বরেণ্য পদার্থবিদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এমেরিটাস প্রফেসর ড. অরুণ কুমার বসাক। সেমিনারের শুরুতেই প্রফেসর ড. অরুণ কুমার বসাককে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. আনন্দ কুমার সাহা। সে সময় উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ফয়জার রহমান, সেন্টার ফর ইন্টারডিসিপ্লিনারি রিসার্চ-এর পরিচালক প্রফেসর এমেরিটাস ড. এ.এইচ.এম রহমতুল্লাহ ইমন এবং রেজিস্ট্রার সুরঞ্জিত মন্ডলসহ বিভিন্ন বিভাগেরে বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ। প্রফেসর ড. অরুণ কুমার বসাক তার আলোচনায় বলেন, “Education is a continuous discovery of ignorance and research is a continuous process of knowing the unknowns”. অজ্ঞতা নিরসনে শিক্ষা এবং নিরন্তর অজানাকে উন্মোচন করাই হলো গবেষণা। এই প্রক্রিয়াতে অনুসন্ধিৎসু মন, যুক্তি, ধৈর্য্য, একাগ্রচিত্ততা ও পরিশ্রম দরকার। শিক্ষার্থীকে লেখাপড়ার বিষয়বস্তুকে হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করতে হবে। নিজের মত করে বুঝতে হয়। তিনি আরো বলেন, দেশের একেক মানুষের একেক বিষয়ে দক্ষতা আছে। পারস্পরিক বিভেদ ভুলে, মুক্তবুদ্ধির শক্তি নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রদর্শিত পথ, যার যা আছে তাই নিয়ে আমরা যদি একত্রিত হতে পারি, তাহলে আমাদের সব রকম দুর্বলতাকে জয় করতে পারব এবং নিজেদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারব। সঠিক পথে চালিত শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন শিক্ষায় জ্ঞান আরোহণ করে গবেষণাতে অসামান্য অবদান রাখার সামর্থ্য অর্জন করতে সক্ষম হবে এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সাফল্য লাভ করতে পারবে। শিক্ষার্থী জাগলে অর্থাৎ শ্রেণীকক্ষে শিক্ষককে বেশি প্রশ্ন করলে শিক্ষকরা উৎসাহিত বোধ করবেন এবং নিষ্ঠাবান হতেও বাধ্য হবেন। বাংলাদেশের উত্তোরণ ধারা আরও ত্বরান্বিত হবে এবং বাঙালি হিসেবে বিশ্বে আমাদের মর্যাদা বাড়বে।’ সেমিনারে প্রফেসর ড. আনন্দ কুমার সাহা এবং প্রফেসর ড. এ.এইচ.এম রহমতুল্লাহ ইমন বক্তব্য রাখেন। সঞ্চালনা করেন সেন্টার ফর ইন্টারডিসিপ্লিনারি রিসার্চ (সিআইআর) সহযোগী অধ্যাপক ড. সুলতানা রাজিয়া। সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর সুলতানা মোস্তফা খানম, কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর শামীম আহমেদ, ইনফরমেশন অ্যান্ড কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর খালেদা হুমায়রা, ইনফরমেশন অ্যান্ড পপুলেশন সাইন্সের প্রফেসর আমিনুর রহমান, ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর খালেদ মোস্তাক। উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক শামীম আহসান পারভেজ, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রধান প্রফেসর মো. শহিদুর রহমান, ইইই বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. কাজী খাইরুল ইসলাম, রাষ্টবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মো. হাবিবুল্লাহ, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, সাংবাদিকতা বিভাগের কো-অর্ডিনেটর শাতিল সিরাজ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারমিতা জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞান অন্বেষণে প্রতিবন্ধকতা অপসারণ বিষয়ক সেমিনার

প্রকাশিত সময় : ১১:১৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে বিকাল ৩ টায় সেন্টার ফর ইন্টারডিসিপ্লিনারি রিসার্চ (সিআইআর) কর্তৃক আয়োজিত জ্ঞান অন্বেষণে প্রতিবন্ধকতা অপসারণ বিষয়ক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারের মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশ বরেণ্য পদার্থবিদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এমেরিটাস প্রফেসর ড. অরুণ কুমার বসাক। সেমিনারের শুরুতেই প্রফেসর ড. অরুণ কুমার বসাককে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. আনন্দ কুমার সাহা। সে সময় উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ফয়জার রহমান, সেন্টার ফর ইন্টারডিসিপ্লিনারি রিসার্চ-এর পরিচালক প্রফেসর এমেরিটাস ড. এ.এইচ.এম রহমতুল্লাহ ইমন এবং রেজিস্ট্রার সুরঞ্জিত মন্ডলসহ বিভিন্ন বিভাগেরে বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ। প্রফেসর ড. অরুণ কুমার বসাক তার আলোচনায় বলেন, “Education is a continuous discovery of ignorance and research is a continuous process of knowing the unknowns”. অজ্ঞতা নিরসনে শিক্ষা এবং নিরন্তর অজানাকে উন্মোচন করাই হলো গবেষণা। এই প্রক্রিয়াতে অনুসন্ধিৎসু মন, যুক্তি, ধৈর্য্য, একাগ্রচিত্ততা ও পরিশ্রম দরকার। শিক্ষার্থীকে লেখাপড়ার বিষয়বস্তুকে হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করতে হবে। নিজের মত করে বুঝতে হয়। তিনি আরো বলেন, দেশের একেক মানুষের একেক বিষয়ে দক্ষতা আছে। পারস্পরিক বিভেদ ভুলে, মুক্তবুদ্ধির শক্তি নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রদর্শিত পথ, যার যা আছে তাই নিয়ে আমরা যদি একত্রিত হতে পারি, তাহলে আমাদের সব রকম দুর্বলতাকে জয় করতে পারব এবং নিজেদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারব। সঠিক পথে চালিত শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন শিক্ষায় জ্ঞান আরোহণ করে গবেষণাতে অসামান্য অবদান রাখার সামর্থ্য অর্জন করতে সক্ষম হবে এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সাফল্য লাভ করতে পারবে। শিক্ষার্থী জাগলে অর্থাৎ শ্রেণীকক্ষে শিক্ষককে বেশি প্রশ্ন করলে শিক্ষকরা উৎসাহিত বোধ করবেন এবং নিষ্ঠাবান হতেও বাধ্য হবেন। বাংলাদেশের উত্তোরণ ধারা আরও ত্বরান্বিত হবে এবং বাঙালি হিসেবে বিশ্বে আমাদের মর্যাদা বাড়বে।’ সেমিনারে প্রফেসর ড. আনন্দ কুমার সাহা এবং প্রফেসর ড. এ.এইচ.এম রহমতুল্লাহ ইমন বক্তব্য রাখেন। সঞ্চালনা করেন সেন্টার ফর ইন্টারডিসিপ্লিনারি রিসার্চ (সিআইআর) সহযোগী অধ্যাপক ড. সুলতানা রাজিয়া। সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর সুলতানা মোস্তফা খানম, কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর শামীম আহমেদ, ইনফরমেশন অ্যান্ড কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর খালেদা হুমায়রা, ইনফরমেশন অ্যান্ড পপুলেশন সাইন্সের প্রফেসর আমিনুর রহমান, ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর খালেদ মোস্তাক। উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক শামীম আহসান পারভেজ, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রধান প্রফেসর মো. শহিদুর রহমান, ইইই বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. কাজী খাইরুল ইসলাম, রাষ্টবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মো. হাবিবুল্লাহ, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, সাংবাদিকতা বিভাগের কো-অর্ডিনেটর শাতিল সিরাজ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারমিতা জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।