বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপি-জামায়াতের হাজারো নেতাকর্মীর জামিন

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে নাশকতার মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ বিএনপি-জামায়াতের এক হাজারের বেশি নেতাকর্মীর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ জামিন আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান ওরফে শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, দক্ষিণের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মজনু, ১২ দলের সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হুদা, বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এমএ সালাম ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের দেশ কাঁপানো আন্দোলনে পতন হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার। সোমবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বঙ্গভবন থেকেই হেলিকপ্টারে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন শেখ হাসিনা। সে সময় তার সঙ্গে ছিলেন বোন শেখ রেহানা। তারপর ছাত্র-জনতা সংসদ ভবন ও গণভবনে ঢুকে পড়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন। ছাত্র-জনতার উল্লাসের মাঝেই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনায় বসেন বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টিরসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। এসময় উপস্থিত ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধান।

সেই আলোচনায় রাজনৈতিকভাবে গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীদের মু্ক্তির দাবি জানায় দলগুলো। পরে রাষ্ট্রপতি কোটা সংস্কার আন্দোলন ইস্যুতে গ্রেপ্তারকৃত সকলকে মুক্তির কথা জানানো হয়। সেই ঘোষণার পরের দিনেই বিএনপি-জামায়াতের হাজারো নেতাকর্মীকে মুক্তি দেওয়া হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বিএনপি-জামায়াতের হাজারো নেতাকর্মীর জামিন

প্রকাশিত সময় : ০৩:৩১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অগাস্ট ২০২৪

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে নাশকতার মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ বিএনপি-জামায়াতের এক হাজারের বেশি নেতাকর্মীর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ জামিন আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান ওরফে শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব, দক্ষিণের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মজনু, ১২ দলের সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হুদা, বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এমএ সালাম ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের দেশ কাঁপানো আন্দোলনে পতন হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার। সোমবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বঙ্গভবন থেকেই হেলিকপ্টারে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন শেখ হাসিনা। সে সময় তার সঙ্গে ছিলেন বোন শেখ রেহানা। তারপর ছাত্র-জনতা সংসদ ভবন ও গণভবনে ঢুকে পড়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন। ছাত্র-জনতার উল্লাসের মাঝেই রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনায় বসেন বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টিরসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। এসময় উপস্থিত ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধান।

সেই আলোচনায় রাজনৈতিকভাবে গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীদের মু্ক্তির দাবি জানায় দলগুলো। পরে রাষ্ট্রপতি কোটা সংস্কার আন্দোলন ইস্যুতে গ্রেপ্তারকৃত সকলকে মুক্তির কথা জানানো হয়। সেই ঘোষণার পরের দিনেই বিএনপি-জামায়াতের হাজারো নেতাকর্মীকে মুক্তি দেওয়া হয়।