বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মধ্যরাতে বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালের সিসিইউতে মান্না

মধ্যরাতে বুকে ব্যথা নিয়ে রাজধানীর পিজি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে৷

তিনি হার্ট অ্যাটাক করেছেন এবং ৭২ ঘণ্টা পার না হওয়া পর্যন্ত শঙ্কামুক্ত নন বলে জানিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. শোয়েব মুহাম্মদ।

মাহমুদুর রহমান মান্নার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক সজীব।

উল্লেখ্য শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে ২০১৫ সালে মাহমুদুর রহমান মান্নাকে প্রথমে গুম করে পরে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সে সময় তিনি মিথ্যা সামলায় দুই বছর কারাভোগ করেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় হার্ট অ্যাটাক করলে তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সে সময় তার হার্টে একাধিক ব্লক ধরা পড়ে। কিন্তু নিষ্ঠুর, নিপীড়ক হাসিনা সরকার তাঁকে চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে হাসপাতাল থেকে কারাগারে প্রেরণ করে। কারামুক্ত হবার পরও তাঁর পাসপোর্ট আটকে রাখা হয়। এ কারণে তিনি বিদেশে উন্নত চিকিৎসাও নিতে পারেননি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মধ্যরাতে বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালের সিসিইউতে মান্না

প্রকাশিত সময় : ১১:২২:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

মধ্যরাতে বুকে ব্যথা নিয়ে রাজধানীর পিজি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে৷

তিনি হার্ট অ্যাটাক করেছেন এবং ৭২ ঘণ্টা পার না হওয়া পর্যন্ত শঙ্কামুক্ত নন বলে জানিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. শোয়েব মুহাম্মদ।

মাহমুদুর রহমান মান্নার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক সজীব।

উল্লেখ্য শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে ২০১৫ সালে মাহমুদুর রহমান মান্নাকে প্রথমে গুম করে পরে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সে সময় তিনি মিথ্যা সামলায় দুই বছর কারাভোগ করেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় হার্ট অ্যাটাক করলে তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সে সময় তার হার্টে একাধিক ব্লক ধরা পড়ে। কিন্তু নিষ্ঠুর, নিপীড়ক হাসিনা সরকার তাঁকে চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে হাসপাতাল থেকে কারাগারে প্রেরণ করে। কারামুক্ত হবার পরও তাঁর পাসপোর্ট আটকে রাখা হয়। এ কারণে তিনি বিদেশে উন্নত চিকিৎসাও নিতে পারেননি।