সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুয়াকাটা সৈকত থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় জসীম উদ্দিন (২৮) নামে এক যুবককে উদ্ধার করা হয়েছে। তার বাড়ি জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার কাঠালতলী এলাকায়।

বুধবার (২ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সৈকতের মাঝিবাড়ি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করেন স্থানীয় জেলেরা। পরে জসীমকে কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সমুদ্রে মাছ শিকার শেষে তীরে ফেরার সময় কান্নার শব্দ শুনতে পেয়ে ওই যুবকের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেন জেলেরা। এ সময় তার শরীর পানিতে ছুঁই ছুঁই অবস্থায় ছিল। পরে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জ্ঞান হারানোর আগে ওই যুবক তার বাড়ির ঠিকানা বলতে পারলেও কে বা কারা তাকে সৈকতে নিয়ে এসেছে তা বলতে পারেনি।

জসীম উদ্দিনের মা বিলকিস বেগম মুঠোফোনে জানান, তার ছেলে গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। গত মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে আসার উদ্দেশ্যে গাড়িতে উঠেন জসীম।‌ এরপর আর ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি। তার মুঠোফোনে ব্যবহৃত নম্বর বন্ধ ছিল।

মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার তালুকদার বলেন, জসীম উদ্দিনের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে এলে সব রহস্যের উদঘাটন হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

কুয়াকাটা সৈকত থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

প্রকাশিত সময় : ১১:১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৪

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় জসীম উদ্দিন (২৮) নামে এক যুবককে উদ্ধার করা হয়েছে। তার বাড়ি জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার কাঠালতলী এলাকায়।

বুধবার (২ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সৈকতের মাঝিবাড়ি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করেন স্থানীয় জেলেরা। পরে জসীমকে কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সমুদ্রে মাছ শিকার শেষে তীরে ফেরার সময় কান্নার শব্দ শুনতে পেয়ে ওই যুবকের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেন জেলেরা। এ সময় তার শরীর পানিতে ছুঁই ছুঁই অবস্থায় ছিল। পরে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জ্ঞান হারানোর আগে ওই যুবক তার বাড়ির ঠিকানা বলতে পারলেও কে বা কারা তাকে সৈকতে নিয়ে এসেছে তা বলতে পারেনি।

জসীম উদ্দিনের মা বিলকিস বেগম মুঠোফোনে জানান, তার ছেলে গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। গত মঙ্গলবার রাতে বাড়িতে আসার উদ্দেশ্যে গাড়িতে উঠেন জসীম।‌ এরপর আর ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি। তার মুঠোফোনে ব্যবহৃত নম্বর বন্ধ ছিল।

মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার তালুকদার বলেন, জসীম উদ্দিনের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে এলে সব রহস্যের উদঘাটন হবে।