বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গ্যাটকো মামলায় খালেদা জিয়া মোশাররফ ও খসরুকে অব্যাহতি

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অব্যাহতি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে বিশেষ জজ আদালত ৩ এর বিচারক আবু তাহের এই রায় দেন। বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ গঠনের শুনানিতে খালেদা জিয়া, মোশাররফ ও আমির খসরুর আইনজীবীরা তাদের স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তারা জানান, ওয়ান ইলেভেনের সময় হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধন করতেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের আসামি করা হয়। মামলায় কোনো বিষয়বস্তু ছিলো না বলে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। মামলা হওয়ার এতদিন পরও অভিযোগ গঠন না করায় বোঝা যায় কোন উদ্দেশ্যে মামলাটি করা হয়েছিলো। ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও থানায় এ মামলা করেন দুদকের একজন উপ-পরিচালক। এতে আসামি করা হয় চার দলীয় জোট সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনকে। মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে গ্রেফতার করা হয়। পরে মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় জরুরি ক্ষমতা আইনে। পরের বছর ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলার অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। মামলার ২৪ আসামির মধ্যে সাবেক মন্ত্রী এম সাইফুর রহমানসহ আট জন মারা গেছেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় তাকেও মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। সূত্র: যুগান্তর

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

গ্যাটকো মামলায় খালেদা জিয়া মোশাররফ ও খসরুকে অব্যাহতি

প্রকাশিত সময় : ০৮:১৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৪

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অব্যাহতি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে বিশেষ জজ আদালত ৩ এর বিচারক আবু তাহের এই রায় দেন। বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ গঠনের শুনানিতে খালেদা জিয়া, মোশাররফ ও আমির খসরুর আইনজীবীরা তাদের স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তারা জানান, ওয়ান ইলেভেনের সময় হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধন করতেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের আসামি করা হয়। মামলায় কোনো বিষয়বস্তু ছিলো না বলে আদালতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। মামলা হওয়ার এতদিন পরও অভিযোগ গঠন না করায় বোঝা যায় কোন উদ্দেশ্যে মামলাটি করা হয়েছিলো। ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও থানায় এ মামলা করেন দুদকের একজন উপ-পরিচালক। এতে আসামি করা হয় চার দলীয় জোট সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনকে। মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে গ্রেফতার করা হয়। পরে মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় জরুরি ক্ষমতা আইনে। পরের বছর ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলার অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। মামলার ২৪ আসামির মধ্যে সাবেক মন্ত্রী এম সাইফুর রহমানসহ আট জন মারা গেছেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় তাকেও মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। সূত্র: যুগান্তর