বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৫ বছরে ভোট দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান হাসনাতের

১৫ বছর বয়সে ভোট দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

আজ বুধবার বিকেলে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার কাজী শাহাবুদ্দিন গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ভোটারের বয়স ১৫ বছর দিয়ে দেওয়া উচিত। কারণ এখন সবাই অনেক সচেতন। বাজারে কী ফোন এসেছে, তা এখানকার সবাই জানে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থী তিন ধরনের আছে। একটা ধরণ প্রজাপতির মতো। তাদের দ্বারা ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব রাখতে পারে না। আরেক ধরনের শিক্ষার্থী আছে, তারা মৌমাছির মতো। তারা ফুলের মধু আহরণ করে। তার মানে শিক্ষকের কথা শোনে। সে মোতাবেক পড়াশোনা করে। এছাড়া আরেক ধরনের শিক্ষার্থী আছে, তারা ভ্রমরের মতো। ভ্রমর যেমন ঘুরে বেড়ায়, তেমনি তারা পড়াশোনাতেও। তাই তোমাদের মৌমাছির মতো হতে হবে। ভালোভাবে জ্ঞান আহরণ করতে হবে।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘নতুন প্রজন্ম ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত আমাদের পূর্ব প্রজন্ম ব্যর্থ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। সুতরাং আমাদের কাঁধ শক্ত করতে হবে, যেন আমরা তাদের দায়িত্ব নিতে পারি। একই সাথে আগামীর প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। মনে রাখতে হবে, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের নেতৃত্ব তরুণ প্রজন্মকেই নিতে হবে।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’র সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পঞ্চগড়ের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বী ও মোকাদ্দেসুর রহমান সানসহ অনেকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

১৫ বছরে ভোট দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান হাসনাতের

প্রকাশিত সময় : ০৯:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০২৪

১৫ বছর বয়সে ভোট দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

আজ বুধবার বিকেলে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার কাজী শাহাবুদ্দিন গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ভোটারের বয়স ১৫ বছর দিয়ে দেওয়া উচিত। কারণ এখন সবাই অনেক সচেতন। বাজারে কী ফোন এসেছে, তা এখানকার সবাই জানে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থী তিন ধরনের আছে। একটা ধরণ প্রজাপতির মতো। তাদের দ্বারা ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব রাখতে পারে না। আরেক ধরনের শিক্ষার্থী আছে, তারা মৌমাছির মতো। তারা ফুলের মধু আহরণ করে। তার মানে শিক্ষকের কথা শোনে। সে মোতাবেক পড়াশোনা করে। এছাড়া আরেক ধরনের শিক্ষার্থী আছে, তারা ভ্রমরের মতো। ভ্রমর যেমন ঘুরে বেড়ায়, তেমনি তারা পড়াশোনাতেও। তাই তোমাদের মৌমাছির মতো হতে হবে। ভালোভাবে জ্ঞান আহরণ করতে হবে।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘নতুন প্রজন্ম ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত আমাদের পূর্ব প্রজন্ম ব্যর্থ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। সুতরাং আমাদের কাঁধ শক্ত করতে হবে, যেন আমরা তাদের দায়িত্ব নিতে পারি। একই সাথে আগামীর প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। মনে রাখতে হবে, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের নেতৃত্ব তরুণ প্রজন্মকেই নিতে হবে।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’র সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পঞ্চগড়ের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বী ও মোকাদ্দেসুর রহমান সানসহ অনেকে।