অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, ‘‘আমরা চেষ্টা করেছি, যারা দীর্ঘ লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গে এবং পক্ষে ছিলেন তাদের নিয়ে সরকার গঠন করতে।’’
অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ নিয়ে ১০ নভেম্বর উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়া মাহফুজ আলম বলেন, ‘’আমাদের কাছে অনেকগুলো প্র্যাকটিক্যলিটি (বাস্তবতা) ছিল, যার বেশির ভাগই আমরা পূরণ করতে পেরেছি।’’
গত ১০ নভেম্বর শপথ নেওয়া নতুন তিন উপদেষ্টার নিয়ে ওঠা বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘জনগণই নতুন উপদেষ্টাদের বিচার করবে তাদের কার্যক্রম দেখে। জনগণের যদি কোনো অনাগ্রহ থাকে, আমরা সেটি ক্ষতিয়ে দেখব। তবে আমরা মনে করি, যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তারা জনগণের আকাঙ্ক্ষার পক্ষেই থাকবেন। তারপরও যদি জনগণের কোনো অসন্তোষ বা অসংকোচ থাকে, তাহলে তাদের কাজের মাধ্যমে প্রমাণ হবে।’’
ব্যবসায়ী সেখ বশির উদ্দিন, চলচ্চিত্র পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীমাহফুজ আলম সর্বশেষ উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
কেউ কেউ নতুন নিয়োগ পাওয়া উপদেষ্টাদের নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ কেউ উপদেষ্টা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ‘অঞ্চল প্রীতির’ অভিযোগ তুলেছেন।
‘খুনি হাসিনার তেলবাজরাও উপদেষ্টা হচ্ছে’— বলে অভিযোগ করে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম। আর উপদেষ্টা নিয়োগ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনের ঘোষণা দেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।
পরে সোমবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিক্ষোভ সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘‘আমার চাই আপনারা অতি দ্রততম সময়ে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন এবং ছাত্র নাগরিকদের অংশীদারত্বের বাইরে গিয়ে আপনারা যদি কোনো সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে তা মেনে নেওয়া হবে না। অতিদ্রুত এ সিদ্ধান্তের নিরসন চাই।’’

রিপোর্টারের নাম 





















