সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী নগর বিএনপি নেতা ছুরিকাহত

রাজশাহী নগর বিএনপির এক নেতাকে ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর ভদ্রা এলাকায় একটি সালিশ বৈঠক চলাকালীন তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত বিএনপি নেতার নাম বজলুর রহমান মন্টু। তিনি রাজশাহী মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক।

ঘটনার পর তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি এখন শঙ্কামুক্ত, তবে তাঁকে গভীর পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রামেক হাসপাতালের চিকিৎসকেরা।

রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. শংকর কে বিশ্বাস বলেন, ‘মন্টুর পেটে ও কপালে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। দুপুর পৌনে ২টা নাগাদ তাঁকে জরুরি বিভাগে আনা হয়। সেখানে মন্টু নিজেই তাঁর পরিচয় দেন। জরুরি বিভাগ থেকে তাঁকে সার্জারি বিভাগের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। আপাতত তিনি শঙ্কামুক্ত। তবে বিভাগীয় প্রধানের তত্ত্বাবধানে তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।’

নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ আলী ঈসা বলেন, ‘কে বা কারা কেন ছুরিকাঘাত করেছে, সেটা বলতে পারব না। এটা মন্টুর কাছ থেকেই শুনতে হবে। এ ব্যাপারে পুলিশও খোঁজখবর নিচ্ছে।’

নগরের বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাসুদ জানান, ঘটনার খবর পেয়ে তিনি ভদ্রা এলাকায় গিয়েছিলেন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে জানিয়েছেন, দুপুরে রেললাইনের পাশে চায়ের দোকানে বসে বিএনপি নেতা মন্টুসহ ২০-২৫ জন ব্যক্তি কোন একটা বিষয়ের আপস-মীমাংসার ব্যাপারে আলোচনা করছিলেন। তখন সেখানেই ঘটনাটি ঘটে।

ওসি বলেন, ‘ঘটনাস্থলটা পড়েছে রেলওয়ে থানার ভেতরে। রেলওয়ে থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে। আমাদের কাছেও যদি অভিযোগ করে, সে অভিযোগ নিব। এই ঘটনা কারা ঘটিয়েছে সে ব্যাপারে আমরা খোঁজ নিচ্ছি। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাজশাহী নগর বিএনপি নেতা ছুরিকাহত

প্রকাশিত সময় : ১১:০৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪

রাজশাহী নগর বিএনপির এক নেতাকে ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর ভদ্রা এলাকায় একটি সালিশ বৈঠক চলাকালীন তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত বিএনপি নেতার নাম বজলুর রহমান মন্টু। তিনি রাজশাহী মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক।

ঘটনার পর তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি এখন শঙ্কামুক্ত, তবে তাঁকে গভীর পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রামেক হাসপাতালের চিকিৎসকেরা।

রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. শংকর কে বিশ্বাস বলেন, ‘মন্টুর পেটে ও কপালে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। দুপুর পৌনে ২টা নাগাদ তাঁকে জরুরি বিভাগে আনা হয়। সেখানে মন্টু নিজেই তাঁর পরিচয় দেন। জরুরি বিভাগ থেকে তাঁকে সার্জারি বিভাগের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। আপাতত তিনি শঙ্কামুক্ত। তবে বিভাগীয় প্রধানের তত্ত্বাবধানে তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।’

নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ আলী ঈসা বলেন, ‘কে বা কারা কেন ছুরিকাঘাত করেছে, সেটা বলতে পারব না। এটা মন্টুর কাছ থেকেই শুনতে হবে। এ ব্যাপারে পুলিশও খোঁজখবর নিচ্ছে।’

নগরের বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাসুদ জানান, ঘটনার খবর পেয়ে তিনি ভদ্রা এলাকায় গিয়েছিলেন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে জানিয়েছেন, দুপুরে রেললাইনের পাশে চায়ের দোকানে বসে বিএনপি নেতা মন্টুসহ ২০-২৫ জন ব্যক্তি কোন একটা বিষয়ের আপস-মীমাংসার ব্যাপারে আলোচনা করছিলেন। তখন সেখানেই ঘটনাটি ঘটে।

ওসি বলেন, ‘ঘটনাস্থলটা পড়েছে রেলওয়ে থানার ভেতরে। রেলওয়ে থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে। আমাদের কাছেও যদি অভিযোগ করে, সে অভিযোগ নিব। এই ঘটনা কারা ঘটিয়েছে সে ব্যাপারে আমরা খোঁজ নিচ্ছি। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হবে।’