শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাকরিতে প্রবেশের বয়স ছেলেদের ৩৫, মেয়েদের ৩৭ প্রস্তাব

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ছেলেদের ৩৫ বছর ও মেয়েদের ক্ষেত্রে ৩৭ বছর করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

আজ সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পর্যালোচনা কমিটির প্রধান এবং জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘বয়স বাড়ানোর বিষয়টি যৌক্তিক। বয়স বাড়লে কোনো বৈষম্য হবে না। আর্থসামাজিক দিক বিবেচনায় এটা আমরা সুপারিশ করেছি। পৃথিবীর অনেক জায়গায় চাকরিতে প্রবেশের বয়স বেশি। চাকরিতে বয়স বাড়ানোর বিষয়টি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।’

পর্যালোচনা কমিটির প্রধান বলেন, ‘অবসরের বিষয়ে কোনো সুপারিশ করা হয়নি। এখন যারা অবসরে যাবেন, তাদের তো প্রয়োজন নেই। সেজন্যে এখন এটা বিবেচনার বা চিন্তার প্রয়োজন নেই।’

প্রসঙ্গত, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছিল সরকার। গত সপ্তাহে এ কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে। কমিটিতে সদস্যসচিব হিসেবে ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান। সদস্য হিসেবে ছিলেন, সাবেক যুগ্ম সচিব কওছার জহুরা, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইকবাল এবং অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল ইসলাম।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

চাকরিতে প্রবেশের বয়স ছেলেদের ৩৫, মেয়েদের ৩৭ প্রস্তাব

প্রকাশিত সময় : ১০:৩৩:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ছেলেদের ৩৫ বছর ও মেয়েদের ক্ষেত্রে ৩৭ বছর করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

আজ সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পর্যালোচনা কমিটির প্রধান এবং জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘বয়স বাড়ানোর বিষয়টি যৌক্তিক। বয়স বাড়লে কোনো বৈষম্য হবে না। আর্থসামাজিক দিক বিবেচনায় এটা আমরা সুপারিশ করেছি। পৃথিবীর অনেক জায়গায় চাকরিতে প্রবেশের বয়স বেশি। চাকরিতে বয়স বাড়ানোর বিষয়টি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।’

পর্যালোচনা কমিটির প্রধান বলেন, ‘অবসরের বিষয়ে কোনো সুপারিশ করা হয়নি। এখন যারা অবসরে যাবেন, তাদের তো প্রয়োজন নেই। সেজন্যে এখন এটা বিবেচনার বা চিন্তার প্রয়োজন নেই।’

প্রসঙ্গত, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছিল সরকার। গত সপ্তাহে এ কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে। কমিটিতে সদস্যসচিব হিসেবে ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমান। সদস্য হিসেবে ছিলেন, সাবেক যুগ্ম সচিব কওছার জহুরা, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ইকবাল এবং অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল ইসলাম।